সৌদি আরবে সড়ক দুর্ঘটনায় আহত হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যাওয়া ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলার প্রবাসী রুহুল আমিনের (৪২) মরদেহ ১৫ দিন পর দেশে আনা হয়েছে। আজ রোববার সকালে নান্দাইলের বীর কামটখালী গ্রামের স্থানীয় মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের মাঠে জানাজা শেষে তাকে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়।
রুহুল আমিন ওই গ্রামের জামাল উদ্দিনের ছেলে। তিনি প্রায় ছয় বছর ধরে সৌদি আরবে ক্লিনার হিসেবে কাজ করতেন। তার স্ত্রী ও আট বছর বয়সী এক কন্যা সন্তান রয়েছে।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, গত ১০ জুন সৌদি আরবে একটি সড়ক দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত হন রুহুল আমিন। পরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১২ জুন তিনি মারা যান।
গতকাল শনিবার রাতে তার মরদেহ দেশে আনা হয়। আজ রোববার সকাল ৯টায় জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। জানাজায় আত্মীয়-স্বজন, এলাকাবাসী এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের নেতাকর্মীরা অংশ নেন।
পরে তাকে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়।
নিহতের বড় ভাই মোবারক হোসেন বলেন, "আমার ভাই দীর্ঘ ছয় বছর প্রবাসে থেকে পরিবারের জন্য কঠোর পরিশ্রম করেছেন। কিন্তু ভাগ্যের নির্মম পরিহাসে তিনি আর জীবিত ফিরতে পারলেন না। আমরা সরকারের কাছে প্রবাসী পরিবারের জন্য প্রয়োজনীয় সহযোগিতা কামনা করছি।"
নিহতের স্ত্রী দিপালী বলেন, "আমার স্বামী সংসারের সবার স্বপ্ন পূরণে বিদেশে গিয়েছিলেন। এখন আমি আমার ছোট মেয়েকে নিয়ে কীভাবে জীবন চালাব, তা ভেবে দিশেহারা। আমি সবার কাছে আমার স্বামীর জন্য দোয়া চাই।"








