পণ্য আমদানির অর্থায়নের ক্ষেত্রে ব্যাংকগুলো গ্রাহকের সঙ্গে ঋণের সুদের হারের ঝুঁকি মোকাবিলায় আগাম চুক্তি করতে পারবে। এই চুক্তিতে আন্তর্জাতিক বাজারে কোনো কারণে ঋণের সুদের হার বেড়ে গেলে গ্রাহককে কেমন সুদ পরিশোধ করতে হবে সে বিষয়ে ব্যাংক গ্রাহকের সঙ্গে আগাম চুক্তি করতে পারবে। আগে এ ধরনের চুক্তির সুযোগ ছিল না। এতে গ্রাহক ও ব্যাংক ঋণের সুদ হারজনিত ঝুঁকি মোকাবিলায় আগাম সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নিতে পারবে। এ বিষয়ে বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে একটি সার্কুলার জারি করে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর প্রধান নির্বাহীদের কাছে পাঠানো হয়েছে।
মার্কিন মুদ্রা বাজারে সুদের হার ফের ঊর্ধ্বমুখী হওয়ায় ও সুদের হারের ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক মান অনুসরণ করতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক এ পদক্ষেপ নিয়েছে। এতে গ্রাহক ও ব্যাংকের ঝুঁকি মোকাবিলার সক্ষমতা বাড়বে। সার্কুলারে বলা হয়, সরবরাহ ও ক্রেতা ঋণের আওতায় পণ্য আমদানির পর এলসির দায় পরিশোধের ক্ষেত্রে এ সুবিধা নেওয়া যাবে। এ ধরনের ঋণ নেওয়ার ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক বাজারে সুদের হার ওঠানামা করলেও গ্রাহককে একটি নির্দিষ্ট হারে সুদ পরিশোধ করতে হবে। এ বিষয়েই গ্রাহক ও ব্যাংক একটি আগাম চুক্তি করবে। ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে সুদের হার বাড়লেও চুক্তি অনুযায়ী গ্রাহক সুদ পরিশোধ করবে। এতে আরও বলা হয়, এ ধরনের চুক্তি কেবলমাত্র প্রকৃত আমদানিকারকদের সঙ্গে করতে পারবে ব্যাংক। আমদানির নামে ঋণ নিয়ে অন্য কোনো খাতে ব্যবহার করলে বা আমদানির বিকল্প কোনো খাতে ব্যবহারের ক্ষেত্রে এ ধরনের সুবিধা মিলবে না। চুক্তিতে আগাম সুদের হার নির্ধারণের ক্ষেত্রে বাজারে প্রচলিত আন্তর্জাতিক মানদণ্ডভিত্তিক সুদ হারকে বিবেচনায় নিতে হবে।








