বন্যাদুর্গত এলাকায় মানুষের খাবারের পাশাপাশি বেশি সংকট দেখা দেয় পশুখাদ্যের। ঘরে লালনকৃত পশু বিশেষ করে গরু নিয়ে বন্যায় বিপাকে পড়তে হয় বন্যার্ত মানুষদের।
চট্টগ্রামের বন্যাদুর্গত এলাকায় পানিবন্দি মানুষ এবং গবাদিপ্রাণীর অবর্ণনীয় দুর্ভোগ নিরসনে সপ্তাহব্যাপী বিশেষ ত্রাণ ও চিকিৎসা সহায়তা কর্মসূচি শুরু করেছে চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি ও এনিম্যাল সাইন্সেস বিশ্ববিদ্যালয় (সিভাসু) কর্তৃপক্ষ।
আরও পড়ুন
চট্টগ্রামে বন্যা ও পাহাড়ধসে ১৩ জনের মৃত্যু, ক্ষতিগ্রস্ত ৬ লাখ মানুষ
রোববার (১২ জুলাই) কর্মসূচির প্রথম দিনে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত বাঁশখালী উপজেলার কাথারিয়া ইউনিয়নের বিভিন্ন স্থানে ৫০০ প্যাকেট রান্না করা খাবার, শুকনো খাবার, পানীয় জল, ওষুধ এবং গো-খাদ্য ও গবাদিপ্রাণীর ওষুধসামগ্রী বিতরণ করে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।
ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রম পরিচালনা করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের বহিরাঙ্গন কার্যক্রম পরিচালক প্রফেসর ড. এ কে এম সাইফুদ্দিন, ছাত্রকল্যাণ বিষয়ক পরিচালক প্রফেসর ড. মোহাম্মদ রাশেদুল আলম, পোল্ট্রি রিসার্চ ও ট্রেনিং সেন্টারের পরিচালক প্রফেসর ড. এ কে এম হুমায়ুন কবির এবং প্রক্টর প্রফেসর ড. মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান।
আরও পড়ুন
চারদিকে বন্যার পানি, ভেলায় ভাসিয়ে শেষ বিদায়!
ত্রাণ বিতরণকাজে সহযোগিতা করছে ওয়ান হেলথ ইয়ং ভয়েস বাংলাদেশ, বাঁধন সিভাসু ইউনিট, সিভাসু ডিবেটিং সোসাইটি, রোটার্যাক্ট ক্লাব অব সিভাসু, বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি (সিভাসু ইউনিট), ফিশবুথ ল্যাব, প্রাঙ্গণ, আইএএএস সিভাসু, বিএও কোর টিম, প্রবর্তন, হাইয়াছিনথ টু অপরচ্যুনিটি-সহ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী ছাত্র সংগঠন।
সিভাসুর উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ লুৎফুর রহমান বলেন, প্রবল বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে মারাত্মকভাবে প্লাবিত চট্টগ্রামের উপজেলাসমূহে বিশ্ববিদ্যালয়ের এই ত্রাণ সহায়তা কর্মসূচি চলবে সপ্তাহব্যাপী। তিনি সবাইকে বানভাসি মানুষের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানান।
এমডিআইএইচ/কেএসআর








