জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত কণ্ঠশিল্পী ফাতেমা তুয যাহরা ঐশী এখন ব্যস্ত সময় পার করছেন একাধিক দায়িত্ব নিয়ে। সংগীতচর্চার পাশাপাশি চিকিৎসক হিসেবে কাজ করছেন তিনি। একই সঙ্গে পাবলিক হেলথ ম্যানেজমেন্টে স্নাতকোত্তরের শেষ পর্যায়ের পড়াশোনাও চালিয়ে যাচ্ছেন। এত ব্যস্ততার মধ্যেও ভক্তদের জন্য নতুন একটি সুখবর দিয়েছেন এই গায়িকা।

সম্প্রতি গণমাধ্যমে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ঐশী জানান, বর্তমানে তিনি পাবলিক হেলথ ম্যানেজমেন্টে মাস্টার্সের শেষ পর্যায়ে রয়েছেন। ফলে পড়াশোনা ও ইন্টার্নশিপে আগের চেয়ে অনেক বেশি সময় দিতে হচ্ছে।

ঐশী বলেন, ‘আমি পাবলিক হেলথ ম্যানেজমেন্টে মাস্টার্স করছি, যার একদম শেষ পর্যায়ে আছি। শেষ সময় হওয়ার কারণে এখন পড়াশোনা ও ইন্টার্নশিপে অনেক বেশি মনোযোগ দিতে হচ্ছে। তাই দুই দিক সামলাতে বেশ ভালোই ধকল যাচ্ছে।’

তবে ব্যস্ততার মাঝেও অনুরাগীদের জন্য নতুন চমকের ঘোষণা দিয়েছেন তিনি। ঐশী জানান, শ্রোতাদের ভালোবাসা পাওয়া তার জনপ্রিয় গান ‘আমারে নাও’র একটি ‘লাইভ পিয়ানো ভার্সন’ খুব শিগগিরই প্রকাশ করা হবে।

এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘“আমারে নাও” গানটির প্রতি শ্রোতাদের ভালোবাসা এবং নিজের টানের জায়গা থেকে আমরা হুট করে একটি পরিকল্পনা করেছি। খুব শিগগিরই গানটির একটি লাইভ পিয়ানো ভার্সন প্রকাশ করব।’

গানের ধরন নিয়ে নিজের দৃষ্টিভঙ্গির কথাও তুলে ধরেছেন এই শিল্পী। তার ভাষায়, ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই তিনি নিজেকে একটি নির্দিষ্ট ঘরানায় সীমাবদ্ধ রাখতে চাননি। বরং সব ধরনের গান শেখা ও গাওয়ার চেষ্টা করেছেন।

আরও পড়ুন

নতুন সিনেমার সাফল্য নিয়ে যা বললেন জয়া আহসান

ঐশী বলেন, ‘কোনো শিল্পীর একটি নির্দিষ্ট ধরনের গান যখন শ্রোতারা বেশি গ্রহণ করেন, তখন সেই পরিচয়টাই বেশি প্রতিষ্ঠিত হয়। কিন্তু আমার ক্ষেত্রে মানুষ যেমন কমার্শিয়াল গান পছন্দ করেছে, তেমনি “মায়া রে” কিংবা “না থাকলে সংসারে”র মতো ভিন্নধর্মী গানও গ্রহণ করেছে। নিজের কণ্ঠ নিয়ে নতুন নতুন এক্সপেরিমেন্ট করতে আমার ভীষণ ভালো লাগে।’

আগামী দিনের পরিকল্পনা সম্পর্কে জানতে চাইলে ঐশী বলেন, ‘নিজেকে আরও ভাঙতে চাই। আমার কণ্ঠের সঙ্গে মানানসই বিভিন্ন ঘরানার গান গাইতে চাই। এমন কিছু কাজ করতে চাই, যা মানুষের মনে দীর্ঘদিন বেঁচে থাকবে।’

আরও পড়ুন

যে ভুলের জন্য আজও আক্ষেপ করেন সৈয়দ আব্দুল হাদী

সংগীত ও চিকিৎসা-দুই ক্ষেত্রেই সমান নিষ্ঠায় এগিয়ে চলা ঐশীর এই নতুন উদ্যোগ নিয়ে ইতোমধ্যেই ভক্তদের মধ্যে তৈরি হয়েছে আগ্রহ।

এমএমএফ