প্রার্থীর হয়ে লিখিত পরীক্ষা দিয়েছেন অন্য কেউ। শুধু তাই নয় মৌখিক পরীক্ষায়ও অংশ নিয়েছেন অন্যজন। এবার দুই ধাপে উত্তীর্ণ সেই প্রার্থী যথারীতি যোগদানে এসেছিলেন। তবে পরিচয় নিয়ে কর্মকর্তাদের সন্দেহ হলে জিজ্ঞাসাবাদে ধরা খেয়ে যান তিনি।
বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন (বিপিএসসি) সচিবালয়ের অফিস সহায়ক পদে নিয়োগ প্রক্রিয়ায় প্রতারণার অভিযোগে রিপন হোসেন নামে এক প্রার্থীকে আটক করে শেরেবাংলা নগর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
আজ মঙ্গলবার সরকারি কর্মকমিশনের জনসংযোগ বিভাগ থেকে এ তথ্য জানানো হয়।
জানা যায়, মঙ্গলবার চাকরিতে যোগদানের উদ্দেশ্যে বিপিএসসি সচিবালয়ে গেলে পরিচয় যাচাইয়ের সময় রিপনের বিষয়ে কর্মকর্তাদের সন্দেহ হয়। পরে প্রবেশপত্রের ছবির সঙ্গে তাঁর চেহারা এবং মৌখিক পরীক্ষার দিনের সিসিটিভি ফুটেজে থাকা ব্যক্তির চেহারা মিলিয়ে দেখা হয়। এতে তাঁর পরিচয় নিয়ে গুরুতর অসংগতি ধরা পড়ে।
বিপিএসসি সূত্রে জানা যায়, রিপন হোসেন অফিস সহায়ক পদের প্রার্থী। তাঁর রোল নম্বর ২১০১১৮৭। রিপনের বাড়ি মানিকগঞ্জের সাটুরিয়া উপজেলার বাহা গ্রামে।
পরিচয় নিয়ে সন্দেহ দেখা দেওয়ার পর বিষয়টি বিপিএসসির উপপরিচালক শোভন সমাদ্দারকে জানানো হয়। তিনি বিষয়টি উপসচিব ওয়াসিমুল বারীকে অবহিত করেন। পরে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা রিপনকে জিজ্ঞাসাবাদ ও যাচাই-বাছাই করেন।
জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে রিপন স্বীকার করেন, অফিস সহায়ক পদে নিয়োগের লিখিত ও মৌখিক কোনো পরীক্ষাতেই তিনি নিজে অংশ নেননি। তাঁর পরিবর্তে অন্য ব্যক্তি (প্রক্সি পরীক্ষার্থী) পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিলেন।
বিপিএসসি জানিয়েছে, প্রক্সি পরীক্ষার্থী ব্যবহার করে প্রতারণার মাধ্যমে চাকরি লাভের অপচেষ্টার অভিযোগে রিপন হোসেনকে আটক করা হয়। পরে তাঁকে শেরেবাংলা নগর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। এ ঘটনায় তাঁর বিরুদ্ধে থানায় এজাহারও দায়ের করা হয়েছে।








