কখনো কখনো একটি গোল শুধু স্কোরলাইন বদলে দেয় না, বদলে দেয় একটি জাতির স্বপ্ন, বিশ্বাস আর ফুটবল ইতিহাসের গতিপথও। আইভরি কোস্টের বিপক্ষে হলান্ডের গোল তেমনই। ১৯৯৮ সালের পর এই প্রথম বিশ্বকাপে ফিরে আসা নরওয়ে এবার লিখেছে নতুন ইতিহাস। ছেলে গোল করলেন মাঠে। আর গ্যালারিতে তা দেখলেন বাবা। নরওয়ের এই দলে ফুটবল ঐতিহ্যের ছাপ স্পষ্ট। ১৯৯৪ বিশ্বকাপে দলের গোলরক্ষক ছিলেন এরিক থরস্টভেডট। আর এবার তার ছেলে ক্রিস্টিয়ান থরস্টভেডট নরওয়ের মাঝমাঠের অন্যতম ভরসা। মিডফিল্ডার প্যাট্রিক বার্গের বাবাও নরওয়ের হয়ে খেলেছেন।
এই বিশ্বকাপ হলান্ডের জন্যও এক আবেগঘন যাত্রা। নরওয়ে যখন শেষবার ১৯৯৮ বিশ্বকাপ খেলেছিল, তখন জন্মই হয়নি হলান্ডের। ২০২৬ বিশ্বকাপ হলান্ডের কাছে শৈশবের স্বপ্ন পূরণের মঞ্চ। এই বিশ্বকাপের শুরু থেকে গোল করে চলেছেন হলান্ড। ক্লাব ফুটবলেও উজ্জ্বল হলান্ড।
হলান্ডের গল্প শুধু ব্যক্তিগত সাফল্যের নয়; এটি একটি ক্রীড়া পরিবারের উত্তরাধিকারের গল্পও। বাবা আলফ-ইঙ্গে হলান্ড ম্যানচেস্টার সিটি, লিডস ইউনাইটেড ও নটিংহাম ফরেস্টের সাবেক ফুটবলার এবং নরওয়ে জাতীয় দলের সদস্য। হলান্ডের মা গ্রি মারিতা ব্রাউটও ছিলেন অ্যাথলেট। তিনি ছিলেন নরওয়ের হেপ্টাথলন চ্যাম্পিয়ন। তাদেরই ছেলে হলান্ড এখন বিশ্বকাপ কাঁপাচ্ছেন। হলান্ডের নরওয়ের সামনে শেষ ষোলোয় এবার ব্রাজিল। নরওয়ে জিতলে হলান্ড-রূপকথা আরও দীর্ঘায়িত হতে পারে।








