নিজেদের ইতিহাসে এই প্রথম বিশ্বকাপের শেষ ষোলোয় খেলবে নরওয়ে। মাঠে আর্লিং হলান্ড, মার্টিন ওডেগার্ডরা আইভরি কোস্টের রক্ষণ ভেঙে শেষ বত্রিশের ম্যাচ জিতেছেন ২-১ গোলে। ম্যাচের পর মাঠেই নৌকা চালাল নরওয়ে দল। গ্যালারি থেকে সঙ্গী হলেন দর্শকরা। ইতোমধ্যে ভাইরাল নরওয়ের এই ‘ভাইকিং রো’। কী ইতিহাস জড়িয়ে এর সঙ্গে? কীভাবে তা এলো বিশ্বকাপের মঞ্চে?
ফুটবল ভক্তদের জোট বেঁধে বিশেষ উদযাপন নতুন কিছু নয়। আইসল্যান্ডের ভাইকিং থান্ডার ক্ল্যাপ এখন গোটা বিশ্বে পরিচিত। কমলা জার্সি পরে রাস্তাজুড়ে ডাচদের ‘লেফট রাইট’ উদযাপন ভাইরাল। আছে স্কটিশদের ‘নো স্কটল্যান্ড, নো পার্টি’। এখন চর্চায় নরওয়ের ভাইকিং রো।
দলবদ্ধভাবে সবাই পা সামনে রেখে মাটিতে বসেন। একজন ড্রামবাদক ছন্দ ঠিক করে দেন। দুবার ড্রাম বাজানোর পর সমস্বরে বলতে হয় ‘রো’, তখন সবাই মিলে নৌকা বাওয়ার মতো করে হাত ও শরীর পেছন দিকে টানতে হয়। নরওয়ের ইতিহাসকে স্মরণ করে হলান্ডদের এই উদযাপন। ‘ভাইকিং যুগে’ বড় জাহাজ নিয়ে নরওয়েবাসী বিভিন্ন দেশে পাড়ি দিত। আজকের নরওয়ে তৈরিতে ৮০০ থেকে ১৫০০ সালের মধ্যে সেই ভাইকিংদের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ।
তবে ফুটবল মাঠে এই উদযাপন এসেছে মাত্র চার মাস আগে। ওলে ফ্রয়স্টাড নামের এক সমর্থকের হাত ধরে মার্চ মাসে এই উদযাপন জনপ্রিয় হয়। সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচে প্রথম এই উদযাপন করা হয়। তারপর বিশ্বকাপে। সেনেগালকে হারিয়ে এভাবেই উচ্ছ্বাসে মেতেছিলেন হলান্ডরা। এবার ওডেগার্ডের নেতৃত্বে ফের একই উদযাপন।








