কিশোরগঞ্জের হাওড় পর্যটন এলাকায় ভ্রমণে এসে পানিতে ডুবে যাওয়া এক সহকর্মীকে উদ্ধারে গিয়ে প্রাণ হারিয়েছেন পটুয়াখালীর কাউসার ইসলাম। বুধবার দুপুর ১২টার দিকে ইটনা উপজেলার বাদলা ইউনিয়নের বর্শিকুড়া-শেরপুর হাওড়ের বগাডুবি সেতুর নিচ থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়। এর আগে মঙ্গলবার বেলা আড়াইটার দিকে তিনি নিখোঁজ হন। কাউসার পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার বড়িপাশা গ্রামের আবদুর রব শিকদারের ছেলে। তিনি ঢাকার উত্তরা এলাকায় বে কোম্পানির শোরুমে ম্যানেজার হিসাবে কর্মরত ছিলেন।
খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আসা কাউসারের ভাই নজরুল ইসলাম জানান, মঙ্গলবার সকালে ৫৬ সদস্যের একটি দলের সঙ্গে ঢাকা থেকে কিশোরগঞ্জের হাওড় ভ্রমণে আসেন কাউসার। তারা গাড়িতে ইটনা উপজেলার চৌগাঙ্গা এলাকায় পৌঁছে ইঞ্জিনচালিত নৌকায় বগাডুবি সেতু এলাকায় যান। বেলা আড়াইটার দিকে সেতুর পাশের ডুবে থাকা সড়কে কয়েকজন গোসল করতে নামেন। এ সময় একজন পানিতে তলিয়ে গেলে তাকে উদ্ধারে এগিয়ে যান কাউসার। একপর্যায়ে তিনিও ডুবে যান।
কাউসারের সহকর্মী মিজানুর রহমান বলেন, গোসলের সময় তাদের আরেক সহকর্মী সাগর ইসলাম স্রোতে তলিয়ে যাচ্ছিলেন। তাকে উদ্ধারে কাউসারসহ কয়েকজন এগিয়ে যান। একপর্যায়ে উদ্ধারকারীরাও স্রোতে পড়ে যান। সাগরকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া সম্ভব হলেও কাউসার নিখোঁজ হন।
ইটনা থানার বাদলা পুলিশ ফাঁড়ির এসআই নঈমুল ইসলাম বলেন, নিখোঁজের পর পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল উদ্ধার অভিযান শুরু করে। তবে সন্ধ্যা হয়ে যাওয়ায় মঙ্গলবার অভিযান স্থগিত করা হয়। বুধবার আবার অভিযান শুরু হলে দুপুরে বগাডুবি সেতুর নিচ থেকে কাউসারের লাশ উদ্ধার করা হয়।






