বিশ্বকাপ থেকে জার্মানির আগাম বিদায়ের জন্য ফুটবলারদের স্ত্রী ও বান্ধবীকে দায়ী করেছেন লোথার ম্যাথিউস। চারবারের চ্যাম্পিয়নরা শেষ বত্রিশে প্যারাগুয়ের বিপক্ষে স্নায়ুক্ষয়ী পেনালটি শুটআউটে হেরে ছিটকে গেছে এবারের আসর থেকে। জার্মান লিজেন্ড ম্যাথিউস এই বিপর্যয়ের জন্য সরাসরি আঙুল তুলেছেন খেলোয়াড়দের সহধর্মিণী ও গার্লফ্রেন্ডদের দিকে। ৬৫ বছর বয়সি সাবেক মিডফিল্ডার ম্যাথিউস নিজেও একই পরিস্থিতির শিকার হয়েছিলেন ১৯৯৪ বিশ্বকাপে। বিল্ড সাময়িকীকে তিনি বলেন, ‘১৯৯৪-র মতো আমার মনে হয় এবারও একই পরিস্থিতি হয়েছিল।’ তিনি যোগ করেন, ‘আমি বুঝতে পারছি না, কেন বিশ্বকাপের শুরু থেকে পরিবারকে সঙ্গে রাখতে হবে। তখন কত ঝক্কি পোহাতে হয়। এক শহর থেকে আরেক শহরের বিমান ধরা। হোটেল বুকিং। মিডিয়ায় এসব খবর আসেনি। কিন্তু আমি জানি, দলের ভেতর এ নিয়ে অনেক ফিসফাস হয়েছে।’

এদিকে আরেক খবর, প্যারাগুয়ে ম্যাচে জার্মানির চার ফুটবলার টাইব্রেকারে পেনালটি শট নিতে চাননি। টাইব্রেকারে শেষ পেনালটি মিস করেন জোনাথন টাহ। বাধ্য হয়ে তাকে পেনালটি নিতে হয়েছিল। নির্ধারিত ও অতিরিক্ত সময়ে ১-১ গোলে শেষ হয় ম্যাচ। টাইব্রেকারে প্রথম পাঁচটি শটের পর দুদলের স্কোর ছিল সমান ৩-৩। এরপর সাডেন ডেথে ষষ্ঠ পেনালটি নেওয়ার কথা ছিল জার্মানির। বিল্ড জানায়, তখন চার জার্মান ফুটবলার পেনালটি নিতে চাননি। অগত্যা, জোনাথনকে দায়িত্ব নিতে হয়। আর নিজের আন্তর্জাতিক ক্যরিয়ারের প্রথম পেনালটি মিস করেন তিনি। জয়ী হয় প্যারাগুয়ে।