সাতক্ষীরায় চতুর্থ প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন কর্মসূচি (পিইডিপি-৪) প্রকল্পের মেয়াদ শেষ পর্যায়ে এলেও ১৩টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নতুন ভবন নির্মাণকাজ অসম্পূর্ণ রয়ে গেছে। কাজ শেষ না করেই ঠিকাদারকে বিল দেওয়ার অভিযোগ ওঠার পর এক উপজেলা প্রকৌশলীকে শাস্তিমূলক বদলি করা হয়েছে।স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) সূত্রে জানা গেছে, জেলায় এই প্রকল্পের আওতায় মোট ১৩০টি বিদ্যালয়ের মধ্যে ১১৭টির কাজ শেষ হয়েছে। তবে বাকি ১৩টি বিদ্যালয়ের নির্মাণকাজ এখনো ঝুলে আছে।অসম্পূর্ণ বিদ্যালয়গুলোর মধ্যে রয়েছে–আশাশুনি উপজেলার দক্ষিণ কাদাকাটি কালীবাড়ি, দয়ারঘাট, বুড়িয়া ও গোয়ালডাঙ্গা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়; তালা উপজেলার শিরাশুনি, ওমরপুর ও উত্তর শাহজাদপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়; শ্যামনগর উপজেলার বাইনতলা, গাবুরা, গাবুরা খোলপেটুয়া ও পশ্চিম কৈখালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং সাতক্ষীরা সদর উপজেলার লাবসা ও বাজুয়াডাঙ্গা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়।আশাশুনির দক্ষিণ কাদাকাটি কালীবাড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সুমিতা চৌধুরী বলেন, “২০২৪ সালে কাজ শুরু হলেও এখনো তা শেষ হয়নি। প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ায় বাকি কাজ কীভাবে সম্পন্ন হবে, তা নিয়ে আমরা চরম দুশ্চিন্তায় আছি।”সাতক্ষীরা জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. রুহুল আমীন বলেন, বিদ্যালয় ভবন নির্মাণে গুণগত মান বজায় রাখা জরুরি। কাজ যথাযথভাবে বুঝে নেওয়ার জন্য প্রধান শিক্ষক ও বিদ্যালয় ব্যবস্থাপনা কমিটিকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।এ বিষয়ে এলজিইডি সাতক্ষীরার নির্বাহী প্রকৌশলী এ এস এম তারিকুল হাসান খানের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি সাড়া দেননি। তবে সংশ্লিষ্ট দপ্তর সূত্রে জানা গেছে, কাজ সম্পন্ন না করেই বিল প্রদানের অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় আশাশুনি উপজেলা প্রকৌশলীকে তদন্তের পর শাস্তিমূলক বদলি করা হয়েছে।\
রাজনীতি
কাজ বাকি রেখেই বিল তুললেন ঠিকাদার!

শেয়ার করুন







