২০ বছর বয়সে বিশ্বকাপ জিতেছিলেন ব্রাজিলীয় লিজেন্ড। সেই চাপ এখন ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের ওপর। ২০০২ দক্ষিণ কোরিয়া ও জাপান বিশ্বকাপে তিনি ছিলেন ফুটবলের শিক্ষার্থী। প্রায় সিকি শতাব্দীর পর এই সাবেক মিডফিল্ডার স্বীকার করতে কুণ্ঠিত হননি যে, দারুণ সব শিক্ষক পেয়েছিলেন। গোল’কে দেওয়া কাকার সাক্ষাৎকারের চুম্বক অংশ এখানে তার জবানিতে।

‘রোনালদিনহো, রোনালদো, রিভালদো-ব্রাজিলের ফুটবল-পাঠশালায় তারা ছিলেন আমার শিক্ষক। আমি তাদের অনুগত ছাত্র। প্রতিদিন তাদের খেলতে দেখতাম। দেখতাম তাদের অনুশীলন। শুধু খেলাই নয়, তাদের আচার-ব্যবহার। সত্যিকারের অর্থে এসব আইকন আমার গুরু ছিলেন।’

‘ফুটবলার হিসাবে দুর্দান্ত। মানুষ হিসাবে দারুণ। ৫০ দিন কাটিয়েছিলাম তিনজন কিংবদন্তির ছায়ায়। অনেক কিছু তাদের কাছ থেকে শিখেছি। ওই টুর্নামেন্টে আমি মাত্র ২৫ মিনিট খেলেছিলাম। ওই ২৫ মিনিট আমার জীবনের অমূল্য স্মৃতি। সোনালি ট্রফি হাতে নেওয়ার অনুভূতি অতুলনীয়। অবিশ্বাস্য। কোনোদিনও ভুলতে পারব না।’

‘২৪ বছর কেটে গেছে আমাদের বিশ্বকাপ জয়ের। এই সময়ে আমূল পরিবর্তন ঘটেছে ব্রাজিলের ফুটবলে। বিশ্ব ফুটবলে। একটা জিনিসই শুধু বদলায়নি। সেটি হলো চাপ। অবিশ্বাস্য সেই চাপ। বলে বোঝানো যাবে না।’

‘বিশ্বকাপ জেতা ভীষণ কঠিন। ২০০২-এ ২০ বছর বয়সে আমি বিশ্বকাপে খেলেছি। মাথায় তেমন কিছুই ছিল না। শুধু একটাই ভাবনা ভর করেছিল, বিশ্বকাপ জিততে হবে। প্রতি বছর অনুধাবন করি, বিশ্বকাপে খেলা এবং বিশ্বকাপ জেতা কত কঠিন। আমি ব্রাজিলের হয়ে বিশ্বকাপ জিতেছি, এই অর্জন অমূল্য।’

‘যে চাপ আমাদের নিতে হয়েছে, এবার যারা খেলছে, তাদেরকেও সেই চাপের মধ্য দিয়ে যেতে হবে। আমার কাছে গুরুত্বপূর্ণ হলো নেইমারের দলে থাকা। সে যথেষ্ট পরিণত। মাঠে ও মাঠের বাইরে নেইমারের সহায়তা প্রয়োজন ব্রাজিলের।’