গাজীপুরের কালীগঞ্জে মাদকের বিরুদ্ধে একযোগে পরিচালিত ভ্রাম্যমাণ আদালত ও পুলিশের বিশেষ অভিযানে চারজন মাদকসেবী ও কারবারিকে আইনের আওতায় আনা হয়েছে। এর মধ্যে ভ্রাম্যমাণ আদালত তিনজনকে এক মাস করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন। অপরদিকে, পৃথক অভিযানে ১৫ পিস ইয়াবাসহ আরেকজনকে গ্রেপ্তার করেছে কালীগঞ্জ থানা পুলিশ।
শনিবার (২৭ জুন) দুপুরে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন কালীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. জাকির হোসেন।
এর আগে সকালে উপজেলার বড়নগর বাইপাস মোড়, ফুলদী বাজার ও আশপাশের এলাকায় ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন কালীগঞ্জ উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জাকিয়া সরওয়ার লিমা।
ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর ৩৬(৫) ধারায় তিনটি মামলা দায়ের করা হয়। এ আইনে তিনজনকে এক মাস করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হলেও কোনো অর্থদণ্ড দেওয়া হয়নি।
দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন—কালীগঞ্জ পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ডের মুনশুরপুর গ্রামের মো. হাবিবুর রহমানের ছেলে মো. শিপন, বক্তারপুর ইউনিয়নের উত্তর ফুলদী গ্রামের মো. পনির রাজার ছেলে মো. শরীফ রাজ এবং একই ইউনিয়নের মাজুখান গ্রামের মো. হাবিবুর রহমানের ছেলে মো. রাব্বি। শিপনকে বড়নগর বাইপাস মোড়ের মুনশুরপুর এলাকা থেকে এবং অপর দুইজনকে ফুলদী বাজার থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।
ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার সময় কালীগঞ্জ থানার এএসআই শামীম শেখ এবং বেঞ্চ সহকারী সামসুন নাহার সিমু উপস্থিত ছিলেন।
এদিকে, কালীগঞ্জ থানার পৃথক মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযানে ফুলদী এলাকা থেকে ১৫ পিস ইয়াবাসহ মো. হোসেন আলী (৪৮) নামের এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তিনি ফুলদী গ্রামের মৃত টুমু ফকিরের ছেলে। এ ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে কালীগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।
ওসি মো. জাকির হোসেন জানিয়েছেন, ভ্রাম্যমাণ আদালতে দণ্ডপ্রাপ্ত তিনজনকে গাজীপুর জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে। ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার হওয়া মাদক কারবারিকে আদালতের মাধ্যমে গাজীপুর কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জাকিয়া সরওয়ার লিমা বলেছেন, “কালীগঞ্জে মাদক নির্মূলে নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে। মাদকসেবন ও মাদক কারবারের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”








