‘দৈনিক দেশ রূপান্তর’ পত্রিকার পটুয়াখালীর কুয়াকাটা প্রতিনিধি কেএম বাচ্চুকে হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে গুরুতর জখম করার অভিযোগ উঠেছে ছাত্রদল এবং যুবদলের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় আহতকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজে পাঠানো হয়েছে।
শুক্রবার (২৪ জুলাই) রাত সাড়ে ১১টার দিকে কুয়াকাটা সৈকত হোটেলের সামনে তার ওপর হামলা হয়।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সাংবাদিক কে এম বাচ্চুর রাত ১১টার দিকে হোটেল সৈকতের সামনে বসে এক ব্যক্তির সঙ্গে কথা বলছিলেন। সেখানে কুয়াকাটা পৌর ছাত্রদলের ৮ নম্বর ওয়ার্ড সভাপতি বাইজিদের সঙ্গে সংবাদ সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে ঝামেলা হয় তার। এ সময় বাচ্চু বিষয়টি এড়িয়ে যেতে চাইলে পৌর যুবদলের ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক হারুন মুসল্লী, বাইজিদ, ৮ নং ওয়ার্ড যুবদলের সভাপতি শহিদ সিকদার ও পৌর যুবদলের সহ-সাধারণ সম্পদকের নেতৃত্বে আরো ৫ থেকে ৬ জন তার ওপর অতর্কিত হামলা চালায়।
একপর্যায়ে বাচ্চু জ্ঞান হারালে স্থানীয়রা তাকে কুয়াকাটা হাসপাতালে নিয়ে যান। পরে তাকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।
ঘটনাস্থলে থাকা অটোরিকশাচালক জামাল মোল্লা বলেন, “আমি গাড়ি নিয়ে যখন হোটেল সৈকতের সামনে আসি তখন বাচ্চুকে কিছু লোক জিজ্ঞাসা করছে আমার নিউজ করছো কেন। বাচ্চু সরে যাইতে চাইলে, সবাই মিলে তাকে হাঠাৎ মারধর শুরু করে। তাকে হাতুড়ি পেটা করে তারা ফেলে রেখে যায়। পরে আমরা উদ্ধার করে বাচ্চুকে হাসপাতালে নিয়ে যাই।”
এ বিষয়ে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে অভিযুক্তদের ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।
কুয়াকাটা পৌর ছাত্রদলের আহ্বায়ক জোবায়ের আহমেদ রিয়াজ বলেন, “ঘটনাটি আমি মাত্র জেনেছি, যা অত্যন্ত দুঃখজনক। এ বিষয়ে ছাত্রদলের কেউ জড়িত থাকলে তাদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”
কুয়াকাটা পৌর যুবদলের সভাপতি সৈয়দ মো. ফারুক বলেন, “আমারা কুয়াকাটায় শান্ত রাজনীতি করি, এই শান্ত রাজনীতিকে যারা অশান্ত করার চেষ্টা করছে, তারা যদি যুবদলের কর্মী হয়ে থাকে তদন্ত করে তাদের বিরুদ্ধে আমরা ব্যবস্থা নেব।”
মহিপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. শামীম হাওলাদার বলেন, “পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”








