মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার এক প্রবাসীর বাড়িতে মাটির নিচে পুঁতে রাখা স্বর্ণ চুরির অভিযোগে আলাল খান (৩৬) নামের এক টাইলস মিস্ত্রিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
সোমবার (৬ জুলাই) দিবাগত রাতে কুষ্টিয়ার কুমারখালি উপজেলার বানিয়াপাড়া বারাদির নিজ বাড়ি থেকে অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতার মোমিন কুষ্টিয়ার কুমারখালি উপজেলার বানিয়াপাড়া বারাদি গ্রামের আরজান শেখের ছেলে।
স্থানীয় সূত্র জানায়, উপজেলার মুন্দা গ্রামের মৃত আনোয়ার হোসেনের ছেলে শাহীন কুয়েত প্রবাসী। বাড়িতে থাকেন তার বৃদ্ধা মা নার্গিস বানু ও তার দুই বোন। নিরাপত্তার স্বার্থে নার্গিস বানু তার এবং দুই মেয়ের ব্যবহৃত সোনার গয়না, নেকলেস, চুড়ি, কানের দুল, চেইন, আংটিসহ মোট ১১ ভরি ১৪ আনা ওজনের অলংকার একটি প্লাস্টিকের কৌটায় ভরে পলিথিনে মুড়িয়ে ঘরের পূর্ব পাশের সিঁড়ির কাছে মাটির নিচে লুকিয়ে রাখেন।
পরে শাহীনের বাড়িতে টাইলসের কাজ করতে আসেন পাঁচ জন মিস্ত্রি। কাজ শেষে মিস্ত্রিরা চলে গেলে নার্গিস বানু দেখেন মাটির নিচে রাখা স্বর্ণালংকার নেই। বিষয়টি ছেলেকে জানালে তিনি বাড়ির সিসি ক্যামেরার ফুটেজ দেখে জানতে পারেন, কাজ করার সময় এক মিস্ত্রি মাটি খুঁড়ে স্বর্ণালংকার পেয়ে আরেকজনকে দেন, এরপর দুজন মিলে তা নিয়ে চলে যান। পরে ফুটেজ দেখে নার্গিস বানু কুষ্টিয়ার কুমারখালীর বাসিন্দা মোমিন খান (৩৬) ও মো. আলালকে (২২) বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন।
গাংনী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাদ্দিদ মোর্শেদ জানান, ইতোমধ্যে একজনকে গ্রেফতার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে। একইসঙ্গে চোরাই সোনার একটি অংশ উদ্ধার করা হয়েছে। অন্য আসামিকে গ্রেফতারসহ বাকি স্বর্ণালংকার উদ্ধারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
আসিফ ইকবাল/এনএইচআর/জেআইএম








