লিওনেল মেসিকেই আটকে রাখতে পারার কথা ছিল না কেপ ভার্দের। অবশেষে সেটাই হলো। ম্যাচের ১৯তম মিনিটেই মেসির গোলে এগিয়ে গেলো আর্জেন্টিনা। বিশ্বকাপে ২০ গোল করে ফেললেন আর্জেন্টাইন মহানায়ক।

কেপ ভার্দের বিপক্ষে বলের দখল ও আক্রমণে এগিয়ে থাকলেও প্রথম ২৫ মিনিটে গোলের দেখা পায়নি বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা। মিয়ামির হার্ড রক স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ম্যাচে কেপ ভার্দের শৃঙ্খলাবদ্ধ রক্ষণ ও অভিজ্ঞ গোলরক্ষক ভোজিনিয়ার দৃঢ়তায় ম্যাচের শুরুটা ছিল বেশ সতর্ক। তবে ২৯তম মিনিটে মেসির দুর্দান্ত ফিনিশে গোল পায় আর্জেন্টাইনরা।

শুরু থেকেই আর্জেন্টিনা নিজেদের স্বাভাবিক ছন্দে বল দখলে রাখলেও পরিষ্কার গোলের সুযোগ তৈরি করতে পারছিল না। অন্যদিকে কেপ ভার্দে রক্ষণে ঘন প্রাচীর গড়ে পাল্টা আক্রমণের অপেক্ষায় ছিল।

ম্যাচের সপ্তম মিনিটেই প্রথম উল্লেখযোগ্য সুযোগ তৈরি করে আফ্রিকার দলটি। আর্জেন্টিনার আক্রমণ ঠেকিয়ে দ্রুত পাল্টা আক্রমণে ওঠেন রায়ান মেন্ডেস। বাম দিক থেকে ভেতরে ঢুকে জোরালো শট নেন তিনি। তবে নাহুয়েল মোলিনার গায়ে লেগে বলের গতি কমে যায় এবং সহজেই তা তালুবন্দি করেন গোলরক্ষক এমিলিয়ানো মার্তিনেজ।

প্রথম ১৫ মিনিট কিছুটা নিষ্প্রভ কাটালেও এরপর ম্যাচে নিজেদের ছন্দ খুঁজে পেতে শুরু করে লিওনেল স্কালোনির দল।

১৫তম মিনিটে রদ্রিগো ডি পলের দারুণ পাস থেকে ডান দিক দিয়ে বক্সে ঢোকেন থিয়াগো আলমাদা। তার কাটব্যাক পেয়ে দুই ডিফেন্ডারকে কাটিয়ে জায়গা তৈরি করেন অধিনায়ক লিওনেল মেসি। তবে শেষ মুহূর্তের বাঁ-পায়ের শটটি পোস্টের বাইরে দিয়ে চলে যায়।

১৭তম মিনিটে জোভানে কাবরালের ট্যাকলে ফাউলের শিকার হন মেসি। বক্সের ঠিক বাইরে থেকে পাওয়া ফ্রি-কিকটি নেওয়ার দায়িত্ব নেন আর্জেন্টাইন অধিনায়ক নিজেই।

১৮তম মিনিটে বাঁ-পায়ের চিরচেনা বাঁকানো শট নিলেও কেপ ভার্দের ৪০ বছর বয়সী গোলরক্ষক ভোজিনিয়া ভালোভাবে বলের গতিপথ বুঝে নিরাপদে সেটি ধরে ফেলেন।

আইএইচএস/