নতুন করে রেলের কোনো জমি লিজ দেওয়া হবে না বলে জানিয়েছেন রেলপথ প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ। একই সঙ্গে বর্তমানে থাকা লিজগুলো পর্যালোচনা করে যেখানে আইনি বাধা থাকবে না, সেখানে লিজ বাতিল করা হবে বলেও জানিয়েছেন তিনি।

শনিবার (১ আগস্ট) বিকেলে চট্টগ্রাম রেলওয়ে স্টেশনে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এসব কথা বলেন।

রেল প্রতিমন্ত্রী বলেন, সরকার এরইমধ্যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে নতুন করে রেলের কোনো জমি লিজ দেওয়া হবে না। বর্তমানে যেসব লিজ রয়েছে, সেগুলো পর্যবেক্ষণ করা হবে। আইনি জটিলতা না থাকলে সেগুলো বাতিল করে জমি পুনর্গঠন করা হবে। রেলের অনেক জায়গায় সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্প বাস্তবায়নের পরিকল্পনাও রয়েছে।

আরও পড়ুন

গণপরিবহনে জিপিএস: যাত্রী, বাসমালিক ও কর্মীরা যেভাবে উপকৃত হতে পারেন

চট্টগ্রামে রেলের জমিতে অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ এবং কিছু কর্মকর্তার বিরুদ্ধে এসব স্থাপনা ভাড়া দেওয়ার অভিযোগের বিষয়ে তিনি বলেন, অভিযোগ পাওয়া গেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সরকার জনগণের কাছে জবাবদিহি করবে এবং কোনো অনিয়মের অভিযোগ এলে তা তদন্তের মাধ্যমে যাচাই করা হবে।

রেলের টেন্ডার প্রক্রিয়ায় অনিয়মের অভিযোগ প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী বলেন, বর্তমান ব্যবস্থায় দলীয়করণের সুযোগ নেই। এরপরও কোথাও অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া গেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তিনি আরও জানান, ঢাকা-চট্টগ্রাম ও ঢাকা-কক্সবাজার রুটে যাত্রীসেবা বাড়াতে সরকার কাজ করছে। নারায়ণগঞ্জ থেকে কুমিল্লা পর্যন্ত নতুন কর্ড লাইন নির্মাণের সম্ভাব্যতা সমীক্ষা চলছে। এটি বাস্তবায়িত হলে ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটের দূরত্ব প্রায় ৮০ কিলোমিটার কমবে এবং ভ্রমণ সময় প্রায় ১ ঘণ্টা ২০ মিনিট হ্রাস পাবে। পাশাপাশি ঢাকা-কক্সবাজার রুটেও ট্রেনের সংখ্যা বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের।

এ সময় রেলওয়ের পূর্বাঞ্চলের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

এমআরএএইচ/এএমএ