কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে পদ্মা নদীতে পড়ে নিখোঁজ হওয়া পাঁচ বছর বয়সী শিশু নূরি খাতুনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। দুর্ঘটনার প্রায় ২৮ ঘণ্টা পর আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে মিরপুর উপজেলার শিমুলতলা এলাকার মীর আব্দুল করিম কলেজসংলগ্ন পদ্মা নদী থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে নৌ পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস। উদ্ধারকারী সংস্থার তথ্যমতে, ঘটনাস্থল থেকে প্রায় ২০ কিলোমিটার ভাটিতে মরদেহটি ভেসে ওঠে। নিহত নূরি খাতুন ভেড়ামারা উপজেলার জুনিয়াদহ গ্রামের আশিক শেখ ও নূরনাহার খাতুনের মেয়ে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার বিকেল ৩টার দিকে মিরপুর উপজেলার তালবাড়িয়া এলাকার মীর আব্দুল করিম কলেজসংলগ্ন পদ্মা নদীতে একটি শিশুর মরদেহ ভাসতে দেখে স্থানীয়রা। পরে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ খবর দেওয়া হলে বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে নৌ পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহটি উদ্ধার করেন।
প্রত্যক্ষদর্শী শিমুলতলা গ্রামের বাসিন্দা বিথী খাতুন জানান, শিশুটির মরদেহ দৌলতপুরের দিক থেকে ভেসে ভাটির দিকে কুষ্টিয়ার অভিমুখে যাচ্ছিল। স্থানীয়রা মরদেহটি নদীর কিনারে আটকে রেখে পুলিশকে খবর দেয়।
পাবনার ঈশ্বরদী উপজেলার লক্ষ্মীকুণ্ডা নৌ পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শফিকুল ইসলাম বলেন, সংবাদ পেয়ে নৌ পুলিশের একটি দল দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। পরে নিখোঁজ শিশুর পরিবার ঘটনাস্থলে এসে মরদেহটি নূরি খাতুনের বলে শনাক্ত করে। প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
এর আগে গতকাল বুধবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে দৌলতপুর উপজেলার মরিচা ইউনিয়নের ভুরকাপাড়া গ্রামে পদ্মা নদীর পাড়ে দাঁড়িয়ে থাকা অবস্থায় হঠাৎ পাড় ধসে দুই শিশু নদীতে পড়ে যায়।
স্থানীয়রা জামিলা খাতুনকে (৮) জীবিত উদ্ধার করতে সক্ষম হলেও নূরি খাতুন স্রোতের তোড়ে গভীর পানিতে তলিয়ে যায়।








