সিএনজি স্টেশন থেকে অবৈধভাবে সিলিন্ডারে গ্যাস বিক্রি বন্ধ এবং ২৪ ঘণ্টা গ্যাস সরবরাহের দাবিতে সরব হয়েছে ‘২৪ ঘণ্টা সিএনজি (গ্যাস) সরবরাহ বাস্তবায়ন ঐক্য পরিষদ’। সংগঠনটি জানিয়েছে, গ্যাস সংকটে ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে থাকার ফলে পরিবহন খাতে প্রতিদিন প্রায় ১২৫ কোটি টাকার আর্থিক ক্ষতি হচ্ছে। একই সঙ্গে প্রতিদিন ৯ কোটি কর্মঘণ্টা অপচয় হচ্ছে বলেও দাবি করা হয়েছে।মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের জহুর হোসেন চৌধুরী হলে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য ও দাবি তুলে ধরা হয়। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন পরিষদের আহ্বায়ক বেলাল আহমেদ।সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, মহেশখালী এলএনজি টার্মিনাল ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় দেশে তীব্র গ্যাস সংকট দেখা দিয়েছে। সিএনজি স্টেশনগুলোতে পর্যাপ্ত চাপ (পিএসআই) না থাকায় চালকদের দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হচ্ছে। এই সংকটের মধ্যেও একশ্রেণির অসাধু পাম্প মালিক রাতের আঁধারে এবং সরকার নির্ধারিত বন্ধের সময়ে অবৈধভাবে কাভার্ড ভ্যান ও ক্যাসকেড সিলিন্ডারে গ্যাস পাচার করছেন। এটি গ্যাস আইন-২০১০ ও বিপণন নিয়মাবলি-২০১৪-এর স্পষ্ট লঙ্ঘন।সংগঠনের সদস্য সচিব গোলাম ফারুক বলেন, দেশে উৎপাদিত ও আমদানিকৃত গ্যাসের একটি বড় অংশ শিল্পখাতে দেওয়া হলেও পরিবহন খাত বঞ্চিত হচ্ছে। অথচ সাধারণ মানুষের চলাচল ও অর্থনীতি সচল রাখতে এই খাত অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।ঐক্য পরিষদের ৫ দফা দাবি:১. দেশের সব সিএনজি ফিলিং স্টেশন ২৪ ঘণ্টা খোলা রাখা।২. স্টেশন থেকে অবৈধভাবে সিলিন্ডারে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ করা ও দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া।৩. ফিলিং স্টেশনের জন্য বরাদ্দকৃত গ্যাস অন্য খাতে ব্যবহারের পথ বন্ধে পৃথক লাইন স্থাপন।৪. শুধুমাত্র বৈধ সিএনজিচালিত যানবাহনে গ্যাস সরবরাহ নিশ্চিত করা।৫. ‘আগে আসলে আগে সেবা’ নীতি অনুসরণ, কৃত্রিম সংকট রোধ এবং ট্রাফিক পুলিশের হয়রানি বন্ধে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা।সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন স্কপের যুগ্ম সমন্বয়ক এম ফয়েজ হোসেন, যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত হোসেন দুলালসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।/