ফরিদগঞ্জের পূর্ব এখলাছপুর দারুল এখলাছ আমেনা (রা.) মহিলা দাখিল মাদ্রাসার সুপার মাওলানা ইকরাম হোসেন হামিদের বিরুদ্ধে একই সঙ্গে দুটি সরকারি সুবিধাভোগী পদে চাকরির অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ রয়েছে তিনি এমপিওভুক্ত মাদ্রাসার সুপার হিসেবে দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি চরদুঃখিয়া পূর্ব ইউনিয়নের পূর্ব এখলাসপুর সাব পোস্ট অফিসে অতিরিক্ত বিভাগীয় পোস্টমাস্টার হিসেবেও কর্মরত আছেন। দুই প্রতিষ্ঠান থেকেই গ্রহণ করছেন বেতন-ভাতা। মাওলানা ইকরাম কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের চরদুঃখিয়া পূর্ব ইউনিয়নের সহ-সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। জানা যায়, দীর্ঘকাল ধরে ওই তথ্য গোপন করে তিনি সরকারি সুবিধা ভোগ করেন। সম্প্রতি তার ওই দ্বৈত পদে চাকরির তথ্য ফাঁস হয়ে যায়। এছাড়া ২০২৫ সালের দাখিল পরীক্ষায় হলে নকল সরবরাহের ঘটনায় তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। বর্তমানে তিনি মাদ্রাসা সুপার হিসেবে দায়িত্ব পালন না করলেও শিক্ষক হিসেবে এমপিও সুবিধা পাচ্ছেন। মাওলানা ইকরাম হোসেন হামিদ বলেন, কয়েক মাস আগে পোস্টমাস্টারের চাকরি থেকে পদত্যাগ করেছেন। তবে গত জুন মাসের বেতন গ্রহণের তথ্য দেখানো হলে তিনি বলেন, কাজ করেছি, তাই বেতন নিয়েছি। জেলা পোস্ট পরিদর্শক ফারুক খান বলেন, একটি পদত্যাগপত্র পাওয়া গেছে। প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

আগামী মাস থেকে তার নামে আর বেতনের রোল যাবে না। ইউএনও সেটু কুমার বড়ুয়া বলেন, বিষয়টি তদন্তসাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।