প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা ও বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, “রাষ্ট্রপতি পদত্যাগ করবেন, আমারও মনে হয়নি। কিন্তু আপনারা গণমাধ্যমে যেভাবে প্রচার চালিয়েছেন, সত্যি সত্যিই সেটা ঘটল।”

রিজভী বলেন, উনি (রাষ্ট্রপতি) যেটা বলেছেন, তার স্বাস্থ্যের অবনতি হয়েছে। তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। এই কথাটি তিনি তার চিঠিতে লিখেছেন। সুতরাং আমরা ওইটুকুই জানি। আমরা ওইটুকুর মধ্যেই থাকব।”

শনিবার (২৫ জুলাই) সরকারি, আধা-সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্বপ্রাপ্ত ১২ জন নেতাকে নিয়ে জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

পরবর্তী রাষ্ট্রপতি কে হবেন—সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “এটি দলের উচ্চপর্যায়ের নীতি-নির্ধারণী ফোরামের সিদ্ধান্তের বিষয়। এ বিষয়ে তিনি কিছু জানেন না।”

রাষ্ট্রপতির বিরুদ্ধে গণমাধ্যমে যেসব আলোচনা চলছে, সেগুলো সম্পর্কেও দল আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানে না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

তার ভাষায়, “রাষ্ট্রপতির বিষয়ে কী সিদ্ধান্ত হবে, তা দলের উচ্চতর নীতি-নির্ধারণী ফোরাম ও নির্বাহী কমিটিই নির্ধারণ করবে।”

সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানে বিএনপির নেতাদের দায়িত্ব দেওয়ার বিষয়ে রিজভী বলেন, “দায়িত্বপ্রাপ্তরা দীর্ঘদিন ছাত্রজীবন থেকে দলের সঙ্গে সম্পৃক্ত এবং তারা অত্যন্ত যোগ্য।”

তারা সততা, নিষ্ঠা ও দক্ষতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করবেন এবং কোনো প্রলোভনের কাছে নতি স্বীকার করবেন না বলেও তিনি আশা প্রকাশ করেন।

তিনি বলেন, “কয়েক দিন আগে তরুণদের হতাশ না হওয়ার আহ্বান জানিয়েছিলেন। সেই ধারাবাহিকতায় প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান আন্দোলন-সংগ্রামে ভূমিকা রাখা নেতাদের মূল্যায়ন করে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দিয়েছেন। দায়িত্বপ্রাপ্তরা সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকে আরো কার্যকর ও গতিশীল করে তুলবেন।”