রেলপথ প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ বলেছেন, সরকার ইতিমধ্যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে নতুন করে রেলের কোনো জমি লিজ দেবে না। বর্তমানে যেসব লিজ রয়েছে, সেগুলো পর্যবেক্ষণ করে যেগুলো বাতিল করা যায় সেগুলো বাতিল করা হবে।
আজ শনিবার বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে চট্টগ্রাম রেলওয়ে স্টেশনে সাংবাদিকদের এক ব্রিফিংয়ে প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
রেলের জমি লিজর প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী বলেন, যেখানে আইনি বাধা থাকবে না, সেখানে লিজ বাতিল করে জমিগুলো পুনরুদ্ধার করা হবে। কারণ রেলের অনেক জায়গায় সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্পের মাধ্যমে নিজস্ব বিদ্যুতায়নের ব্যবস্থা তৈরির পরিকল্পনা রয়েছে। সুতরাং রেলের সম্পত্তি আমরা নতুন করে আর কোনো লিজ দেব না।
রেলওয়ে স্থাপনা অবৈধভাবে দখল ও দরপত্র প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে রেল প্রতিমন্ত্রী বলেছেন, জনগণের কাছে আমাদের জবাবদিহিতা রয়েছে। তাই যেকোনো অভিযোগ তদন্তের মাধ্যমে যাচাই করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বর্তমান ব্যবস্থায় দলীয়করণের সুযোগ নেই। এরপরও কোথাও অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া গেলে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এ সময় প্রতিমন্ত্রী জানান, ঢাকা-চট্টগ্রাম ও ঢাকা-কক্সবাজার রুটে যাত্রীসেবার মান বাড়াতে সরকার কাজ করছে। নারায়ণগঞ্জ থেকে কুমিল্লা পর্যন্ত নতুন কর্ড লাইন নির্মাণের সম্ভাব্যতা সমীক্ষা চলছে। এটি বাস্তবায়িত হলে ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটের দূরত্ব প্রায় ৮০ কিলোমিটার কমবে এবং ভ্রমণ সময় প্রায় ১ ঘণ্টা ২০ মিনিট কমে আসবে। এ ছাড়া ঢাকা-কক্সবাজার রুটে ট্রেনের সংখ্যাও বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে।








