গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে রিকশার হর্ণ বাজানোর জেরে চালককে মারধরে বাধা দেওয়ায় ওই রিকশার যাত্রীকে ঘুসি মেরে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাস্থল থেকে এরশাদ নামের এক অভিযুক্তকে আটক করেছে পুলিশ।
শুক্রবার (৩ জুলাই) দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন গোবিন্দগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি তদন্ত) স্বপন কুমার সরকার। এর আগে বৃহস্পতিবার রাতে নিহতের স্ত্রী শিরিন বেগম বাদী হয়ে থানায় একটি হত্যা মামলা করেন।
নিহত জহুরুল প্রধান (৪৫) উপজেলার পৌরসভার চক গোবিন্দপুর চরপাড়া গ্রামের মৃত খালেক প্রধানের ছেলে। তিনি পেশায় একজন গ্রিল মিস্ত্রি ছিলেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার সকাল ১০টার দিকে জহুরুল প্রধান একটি অটোরিকশায় করে গোবিন্দগঞ্জের কাটামোড়ে যাচ্ছিলেন। রিকশাটি উপজেলার কাটামোড়ে পৌঁছানোর মুহূর্তে হর্ন দেন। হর্ন দেওয়ার জের ধরে সেখানকার স্থানীয় এরশাদ আলী নামের এক ব্যক্তিসহ আরও দুই থেকে তিনজন অটোরিকশার চালককে মারধর শুরু করেন। এসময় যাত্রীর আসনে থাকা জহুরুল প্রধান চালককে মারধরে বাধা দিলে এরশাদ আলী জহুরুল প্রধানের বুকে সজোরে ঘুসি মারেন।
এতে তাৎক্ষণিকভাবে তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে স্থানীয়রা তাকে দ্রুত উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণ করেন। পরে স্থানীয়দের খবরে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে অভিযুক্ত এরশাদ আলীকে আটক করে থানায় নেয়। পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।
ওসি স্বপন কুমার সরকার বলেন, ঘটনার পরপরই জড়িত থাকার অভিযোগে একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। আজ দুপুরের দিকে তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। মামলার অন্য আসামিদের গ্রেফতারের জন্য পুলিশ মাঠে কাজ করছে।
আনোয়ার আল শামীম/কেএইচকে/জেআইএম







