চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে লরিচাপায় পাঁচজন নিহত হয়েছেন। একই দুর্ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও অন্তত চারজন। গতকাল সোমবার দিবাগত রাত দেড়টার দিকে কুমিরা ইউনিয়নের রয়েল সিমেন্ট গেট এলাকায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
হাইওয়ে পুলিশ জানায়, শাপলা পরিবহনের একটি বাস গতকাল রাতে চট্টগ্রাম থেকে নেত্রকোনার দিকে যাচ্ছিল। বাসটি কুমিরে ইউনিয়নের রয়েল সিমেন্ট গেট থেকে ১০০ গজ উত্তরে আসার পর যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দেয়। চালক গাড়িটিকে সড়কের পাশে পার্ক করে যান্ত্রিক ত্রুটি সারানোর কাজ করছিলেন। এ সময় বাসের ভেতর থেকে কিছু যাত্রী নেমে সড়কের পাশে রাখা কাঠের গুঁড়িতে বসে অপেক্ষা করতে থাকেন। হঠাৎ ঢাকামুখী একটি কন্টেইনারবাহী লরি বেপরোয়া গতিতে এসে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে কাঠের গুঁড়িতে বসে থাকা যাত্রীদের চাপা দেয়। ঘটনাস্থলেই তিনজনের মৃত্যু হয়। আহত অবস্থায় চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পর মৃত্যু হয় আরও দুজনের।
বার আউলিয়া হাইওয়ে পুলিশের সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আব্দুল মতিন প্রথম আলোকে বলেন, ঘটনাস্থলে নিহতদের মধ্যে দুজন নারী ও একজন পুরুষ। নারীদের একজনের বয়স ৩৫ এবং অপরজনের ৪২ বছরের মতো। নিহত পুরুষের আনুমানিক বয়স ৪৫ বছর। আহত ছয়জনকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়। পরে জানা গেছে, সেখান থেকেও দুজনের মৃত্যু হয়েছে।
দুর্ঘটনার পর বাস ও লরিটি জব্দ করে থানায় নিয়ে আসা হয়েছে বলেও জানান হাইওয়ে পুলিশের কর্মকর্তা আব্দুল মতিন। তিনি বলেন, নিহতদের নাম-পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা চলছে। ঘটনাস্থলে নিহত তিনজনের লাশ বার আউলিয়া হাইওয়ে থানায় রাখা হয়েছে।
চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক আলাউদ্দিন তালুকদার বলেন, সীতাকুণ্ডের থেকে আহত অবস্থায় চমেক হাসপাতালে নিয়ে আসা দুজনকে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেছেন। তাঁদের একজন নারী, বয়স ২৫ বছর। অপরজন সাত বছরের শিশু।







