ইরান সমর্থিত হুথিরা সৌদি আরবে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে। শনিবার ভোরে এ হামলা চালানো হয় বলে হুথিদের আনসারুল্লাহ মিডিয়া টেলিগ্রামে জানানো হয়।

এর আগে শুক্রবার সৌদি আরব হুথিদের ওপর হামলা চালিয়েছিল। 

শনিবার ভোরে, হুথিদের আনসারুল্লাহ মিডিয়া টেলিগ্রামে জানায়, একটি ‘ইয়েমেনি ক্ষেপণাস্ত্র হামলায়’ সৌদি আরবের জিজান শহরে আগুন লেগেছে। 

শুক্রবার ইয়েমেনের বন্দর নগরী হোদাইদা এবং একটি নিকটবর্তী দ্বীপে হুথি লক্ষ্যবস্তুতে সৌদি আরব বিমান হামলা চালানোর পর গোষ্ঠীটি প্রতিশোধ নেওয়ার অঙ্গীকার করেছিল।

এই ঘটনাটি এমন সময়ে ঘটল যখন দুই সপ্তাহের মধ্যে প্রথমবারের মতো যুক্তরাষ্ট্র বা ইরানের পক্ষ থেকে বৃহত্তর অঞ্চলে রাতভর কোনো বিমান হামলার খবর পাওয়া যায়নি।

টানা ১৩ রাত ধরে ইরানের ওপর হামলা চালানোর পর মার্কিন সামরিক বাহিনী শনিবার দেশটির ওপর নতুন কোনো হামলার ঘোষণা দেয়নি। এই সময়ে, ইরান মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে মার্কিন সামরিক স্থাপনা ও ঘাঁটিতে ড্রোন হামলাও চালিয়েছে।

সৌদি আরবের বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা লোহিত সাগরের তীরে অবস্থিত ইয়ানবুর তেল শোধনাগার লক্ষ্য করে ছোড়া ইয়েমেনের দুটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করেছে বলে গ্রিক নিরাপত্তা সূত্র রয়টার্সকে জানিয়েছে।

সৌদি বেসামরিক প্রতিরক্ষা বিভাগ ইয়ানবুর জন্য বেশ কয়েকটি সতর্কতা জারি করেছিল। পরে কারা জানায়, বিপদ কেটে গেছে। বেসামরিক প্রতিরক্ষা বিভাগ প্রায় এক হাজার কিলোমিটার দক্ষিণে, ইয়েমেন সীমান্তের কাছে অবস্থিত বন্দর নগরী জিজানের জন্যও একটি সতর্কতা জারি করে।

ক্ষয়ক্ষতির কোনো তাৎক্ষণিক সরকারি খবর পাওয়া যায়নি।

সূত্রগুলো জানিয়েছে, প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাটি গ্রিক সামরিক কর্মীরা পরিচালনা করছিলেন। সৌদি আরবের জ্বালানি অবকাঠামো রক্ষায় সহায়তার জন্য একটি চুক্তির অধীনে গ্রিস ২০২১ সাল থেকে সেখানে মার্কিন নির্মিত প্যাট্রিয়ট আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যাটারি মোতায়েন করে রেখেছে।

গ্রিক নিরাপত্তা সূত্র জানিয়েছে, শনিবার পরে গ্রিক প্যাট্রিয়ট ব্যবস্থাটি ইয়ানবু অঞ্চলে ইয়েমেন থেকে উৎক্ষেপিত একটি ড্রোনও ভূপাতিত করেছে।