গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে চড়া দামে বিক্রির উদ্দেশে নিয়মবহির্ভূতভাবে মজুত করে রাখা ২০৯ বস্তা সার জব্দ করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। জব্দ করা সারের সরকারি মূল্য ২ লাখ ৪৪ হাজার ৭০০ টাকা। এ ঘটনায় অভিযুক্ত ব্যবসায়ীকে ৩০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে।
আজ সোমবার রাত ৯টার দিকে উপজেলার ছাপড়হাটী ইউনিয়নের শোভাগঞ্জ বাজারে মেসার্স আজাহার আলী নামের একটি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে অভিযান চালিয়ে এসব সার জব্দ করা হয়।
অভিযানটি পরিচালনা করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ঈফফাত জাহান তুলি। এ সময় উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. কাইয়ুম চৌধুরী ও পুলিশ সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা গেছে, কৃষকদের কাছে চড়া দামে বিক্রির উদ্দেশে নিয়মবহির্ভূতভাবে সার মজুত করে রাখার অভিযোগে ওই ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে অভিযান চালানো হয়। এ সময় মজুত করা ১০২ বস্তা ইউরিয়া ও ১০৭ বস্তা এমওপি (মিউরেট অব পটাশ) পাওয়া যায়। এর মধ্যে ১০২ বস্তা ইউরিয়া সারের সরকারি মূল্য ১ লাখ ৩৭ হাজার ৭০০ টাকা এবং ১০৭ বস্তা এমওপি সারের সরকারি মূল্য ১ লাখ ৭ হাজার টাকা। সব মিলিয়ে ২০৯ বস্তা সারের সরকারি মূল্য ২ লাখ ৪৪ হাজার ৭০০ টাকা।
পরে প্রতিষ্ঠানটির মালিককে ৩০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড করা হয়। জব্দ করা সার উপজেলা কৃষি কর্মকর্তার জিম্মায় রাখা হয়েছে। পরবর্তীতে এসব সার সরকারি মূল্যে কৃষকদের মধ্যে বিক্রি করা হবে।
সুন্দরগঞ্জ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, ‘গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে ১০২ বস্তা ইউরিয়া ও ১০৭ বস্তা এমওপি সার জব্দ করা হয়েছে। উপজেলা প্রশাসন জব্দ করা সার আমার জিম্মায় রেখেছেন। পরবর্তীতে এসব সার সরকারি মূল্যে কৃষকদের মধ্যে বিক্রি করা হবে।’
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ঈফফাত জাহান তুলি বলেন, ‘সার মজুত করে চড়া দামে বিক্রি ও কৃত্রিম সংকট তৈরির অভিযোগ পেয়ে অভিযান চালনো হয়। অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় ২০৯ বস্তা সার জব্দ করা হয়েছে। একই সঙ্গে ৩০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে।’








