নকশা অনুমোদনের পর তিন বছরের মধ্যে ভবনের নির্মাণকাজ শুরু না হলে সেই অনুমোদন বাতিল করা হবে বলে জানিয়েছে ময়মনসিংহ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (মউক)। একইসঙ্গে নকশা অনুমোদনের আগে জমি সরেজমিন পরিদর্শন এবং নির্মাণকাজ চলাকালে নিয়মিত তদারকির মাধ্যমে অনুমোদিত নকশা অনুসরণ নিশ্চিত করার কথাও জানিয়েছে সংস্থাটি।
বুধবার (১৫ জুলাই) দুপুরে ময়মনসিংহ গণপূর্ত ভবনে মউকের বিল্ডিং কনস্ট্রাকশন (বিসি) কমিটির প্রথম সভা শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে এসব কথা বলেন ময়মনসিংহ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান মোতাহার হোসেন তালুকদার।
তিনি বলেন, ময়মনসিংহ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ আইন কার্যকর হওয়ার পর নগরীর সব ভবনের নকশা বিসি কমিটির অনুমোদনের মাধ্যমেই পাস হবে। ৯ সদস্যের এই কমিটির সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন তিনি।
আরও পড়ুন
জিলাপি খাইয়ে উদ্বোধন, পরে পুরো সড়কের ইট চুরি
মোতাহার হোসেন তালুকদার বলেন, ‘এরইমধ্যে ভবনের নকশা অনুমোদনের জন্য কয়েকটি আবেদন জমা পড়েছে। অনুমোদনের আগে মন্ত্রণালয় থেকে নিয়োগপ্রাপ্ত পরিদর্শকরা জমি সরেজমিন পরিদর্শন করবেন। রাস্তার সংযোগ, নির্ধারিত সেটব্যাক, খোলা জায়গাসহ সংশ্লিষ্ট বিধিমালা প্রতিপালন করা হয়েছে কি-না, তা যাচাইয়ের পরই নকশা অনুমোদন দেওয়া হবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘নির্মাণকাজ শুরু হওয়ার পরও নিয়মিত পরিদর্শন করা হবে। অনুমোদিত নকশার ব্যত্যয় ঘটলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। নকশা অনুমোদনের তিন বছরের মধ্যে নির্মাণকাজ শুরু না হলে সেই অনুমোদন বাতিল করা হবে।’
ময়মনসিংহ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান বলেন, প্রয়োজনীয় জনবল নিয়োগের পর নগরীর আগে থেকে নির্মিত ভবনগুলোও পর্যায়ক্রমে পরিদর্শন করা হবে। যেখানে সম্ভব ভবন সংশোধনের ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং বিধি লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে জরিমানা করা হবে। জরিমানার অর্থ মউকের তহবিলে জমা হয়ে নগর উন্নয়ন কাজে ব্যয় হবে। পাশাপাশি সব ভবনে পার্কিং ব্যবস্থা নিশ্চিত করার উদ্যোগ নেওয়া হবে।
আরও পড়ুন
নয়নপুরী লটকনে সফল রোকনউদ্দিন, কলমেই বছরে আয় ৮ লাখ
এর আগে ময়মনসিংহ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের বিসি কমিটির প্রথম সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় চেয়ারম্যান মোতাহার হোসেন তালুকদারের সভাপতিত্বে কমিটির ৯ সদস্যের সবাই অংশ নেন। এর মধ্যে দুজন সদস্য ভার্চুয়ালি যুক্ত ছিলেন।
সশরীরে উপস্থিত ছিলেন বিসি কমিটির সদস্য সচিব ও গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী অর্ণব বিশ্বাস, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আসাদুজ্জামান, জেলা পরিষদের নির্বাহী কর্মকর্তা সিগ্ধা দাস, স্থাপত্য অধিদপ্তরের সাইকা বিনতে আলম, মউকের অথরাইজড কর্মকর্তা ইফতেখার আলম এবং পরিকল্পনা কর্মকর্তা ইশরাত জাহান।
হোসাইন সুলভ/এসআর/জেআইএম








