মৌলভীবাজারের বড়লেখা ও জুড়ী সীমান্তে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) কঠোর প্রতিরোধের মুখেও বিএসএফের পুশইন অপচেষ্টা থেমে নেই। এক সীমান্তে বিজিবি ও সীমান্ত এলাকার বাসিন্দারা পুশইন ঠেকাতে অবস্থান করলে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) অন্য সীমান্ত দিয়ে পুশইনের অপচেষ্টা অব্যাহত রেখেছে। এরই ধারাবাহিকতায় বৃহস্পতিবার ভোরে বিএসএফ জুড়ীর গোয়ালবাড়ী ইউনিয়নের কচুরগুল সীমান্ত দিয়ে ১০ জন নারী, পুরুষ ও শিশুকে পুশইন করে।
সীমান্ত সূত্রগুলো জানায়, প্রায় এক সপ্তাহ ধরে বিএসএফ তাদের পুশইন করার উদ্দেশ্যে বড়লেখা ও জুড়ী সীমান্তের শূন্যরেখার ওপারের বিভিন্ন স্থানে ঘুরছিল। অবশেষে পুশইন করলেও ২৪ ঘণ্টার মধ্যে বৃহস্পতিবার রাতেই বিজিবি পুশইনের শিকার অবৈধ অনুপ্রবেশকারী সেই ১০ জনকে অন্য বর্ডার দিয়ে ভারতে ফেরত পাঠিয়েছে।
স্থানীয়রা জানান, বৃহস্পতিবার ভোরে বিএসএফ তাদের ঠেলে পাঠায়। সীমান্তবর্তী স্থানীয় জনতার সহায়তায় বিজিবি তাদের আটক করে। রাতে দুটি সিএনজিচালিত অটোরিকশায় করে বিজিবি পুশইনকৃতদের গোয়ালবাড়ী এলাকা থেকে ফুলতলা সীমান্তের দিকে নিয়ে যায়। এরপর তাদের ব্যাপারে কোনো কিছু জানা যায়নি।
স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী আটক ব্যক্তিরা হলেন-রিহাদুল মোল্লা, ফরিদা বেগম, লাবিবা আক্তার, সুবা আক্তার, দিলারা বেগম, রিতা বেগম, রিয়া বেগম, সাব্বির শেখ, লাইলি খাতুন এবং সালমা খাতুন। শুক্রবার বিজিবি-৫২ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল আতাউর রহমান যুগান্তরকে জানান, প্রায় দুই সপ্তাহ ধরে বিএসএফ বড়লেখা উপজেলার পাল্লাথল, নিউ পাল্লাথল, লাতু, গান্ধাই, বোবারথল, উত্তর ষাটঘরী এবং জুড়ী উপজেলার শিলুয়া, কচুরগুল, ফুলতলা সীমান্ত দিয়ে পুশইনের চেষ্টা চালিয়ে আসছে। সীমান্তে বিজিবির কঠোর অবস্থানের কারণে বিএসএফের পুশইন অপচেষ্টা ব্যর্থ হচ্ছে। বৃহস্পতিবার ভোরে জুড়ী উপজেলার কচুরগুল সীমান্ত দিয়ে বিএসএফ ১০ জনকে পুশইন করে। বাংলাদেশ অভ্যন্তর থেকে বিজিবি তাদের আটক করে। রাতেই অন্য সীমান্ত দিয়ে তাদের ভারতে পাঠিয়েছে বিজিবি।








