১১ জুলাইকে ‘প্রতিরোধ দিবস’ হিসাবে স্বীকৃতি দিয়েছে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় (কুবি) কর্তৃপক্ষ। পাশাপাশি তা বার্ষিক ক্যালেন্ডারে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। সোমবার বিশ্ববিদ্যালয়ের ১১০তম সিন্ডিকেট সভায় এ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে।
এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মোহাম্মদ নুরুল করিম জানান, ‘শিক্ষার্থীদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ১১ জুলাইকে প্রতিরোধ দিবস হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে সিন্ডিকেট। ওইদিন কোন কোন ধরনের কর্মসূচি পালিত হবে, কীভাবে সম্পন্ন হবে, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন তা সিদ্ধান্ত নেবে।’
জানা যায়, ২৪-এর গণ-অভ্যুত্থানে প্রথম পুলিশি হামলায় রক্তাক্ত হয়েছে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়। ওই বছরের ১১ জুলাই বিশ্ববিদ্যালয়ের অদূরে ছাত্র-আন্দোলন চত্বরে (আনসার ক্যাম্পে) কর্মসূচি পালনকালে শিক্ষার্থীদের ওপর লাঠিচার্জ ও টিয়ারগ্যাস নিক্ষেপসহ গুলি চালায় পুলিশ। সেদিন এ বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিকরা সংবাদ সংগ্রহ করতে গেলে পুলিশ তাদেরও এলোপাতাড়িভাবে পিটিয়েছে। বৈষম্যমুক্ত বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে শিক্ষার্থীদের এই ত্যাগকে সম্মান জানাতে ১১ জুলাইকে ‘প্রতিরোধ দিবস’ ঘোষণা করায় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ জানিয়েছে শিক্ষার্থীরা। এর আগে ২০২৫ সালের ১১ জুলাইয়ে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে ১১ জুলাইকে ‘প্রথম প্রতিরোধ দিবস’ হিসাবে ঘোষণা দিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয় এবং যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের তৎকালীন উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূইয়া।








