১৮তম শিক্ষক নিবন্ধনে চূড়ান্তভাবে উত্তীর্ণ ও ৭ম গণবিজ্ঞপ্তিতে সুপারিশবঞ্চিত প্রার্থীদের নিয়োগ, ৭৫ শতাংশ পদ সংরক্ষণ নীতি সংশোধন করে শতভাগ পদ সংরক্ষণ এবং প্রয়োজনে ই-রিকুইজিশনের মাধ্যমে শূন্যপদ সংগ্রহপূর্বক দ্রুত সময়ের মধ্যে শতভাগ নিয়োগের কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেছে প্রার্থীরা।
ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে আজ রোববার দুপুরে সংবাদ সম্মেলন করে প্রার্থীরা বলেন, ১৮তম শিক্ষক নিবন্ধনে চূড়ান্ত ভাইভায় উত্তীর্ণ হয়েছেন মোট ৬০ হাজার ৬৩৪ জন। কিন্তু কর্তৃপক্ষ বারবার প্রয়োজন অনুযায়ী বিষয়ভিত্তিক পর্যাপ্ত শূন্যপদ যুক্ত না করে গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশের কারণে সুপারিশ না পেয়ে বঞ্চিত হয়েছেন সাধারণ প্রার্থীরা। সম্প্রতি ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধনের শূন্যপদ থেকে স্কুলে শতভাগ ও কলেজে ৭৫ শতাংশ পদ (সর্বমোট ৬,১৯৩টি) সংরক্ষণের যে খসড়া প্রস্তাব প্রস্তুত করা হয়েছে, তা সাধারণ প্রার্থীদের জন্য চরম হতাশাজনক।
সুপারিশ বঞ্চিতদের মধ্যে খোরশেদ আলম বলেন, ‘দিনদিন আমরা সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন হচ্ছি এবং ব্যক্তিজীবনে দুর্বিষহ জীবন-যাপন করছি। আমরা এনটিআরসি এবং শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে বারবার স্মারকলিপি প্রদান করেছি। আমরা যখন শিক্ষা মন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছিলাম, তখন তিনি আমাদের নিয়োগ দেবেন বলে প্রতিশ্রুতি দেন। এটার দ্রুত সময়ের মধ্যে বাস্তবায়ন চাই।’
সংবাদ সম্মেলনে তিন দফা দাবি তুলে ধরা হয়। এগুলো হলো বিষয়ভিত্তিক পর্যায়ে শূন্য পদ যুক্ত করে দ্রুত সময়ের মধ্যে সুপারিশ বঞ্চিতদের জন্য গণবিজ্ঞপ্তি দিতে হবে, প্রয়োজনে নতুন করে ‘ই-রিকুইজিশন’-এর মাধ্যমে শূন্য পদের চাহিদা আবার নিতে হবে; যেসব বিষয়ে যোগ্য, নিবন্ধিত, সনদধারী প্রার্থী রয়েছেন সেসব বিষয়ে সুপারিশ বঞ্চিতদের নিয়োগের আগে নতুন করে কোনো সার্কুলার প্রকাশ করা যাবে না; সনদের মেয়াদ এবং বয়স সময়সীমার মধ্যে থাকা সাপেক্ষে চূড়ান্তভাবে উত্তীর্ণ ও সুপারিশ বঞ্চিত সবাইকে নিয়োগের আওতায় নিয়ে আসতে হবে, সহকারী শিক্ষক, স্কুল পর্যায়-২ এবং প্রভাষক পদে শতভাগ নিয়োগ করতে হবে।








