সংসদে একটি গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠানের বিষয়ে বক্তব্য দেওয়ার পর ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে তাঁকে নিয়ে ১০৯টি ‘উদ্দেশ্যমূলক সংবাদ’ প্রকাশ করা হয়েছিল বলে অভিযোগ করেছেন এনসিপির সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ। অনলাইনে প্রকাশিত এসব সংবাদ নিয়ে বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিলে অভিযোগ করার সুযোগ না থাকায় আইনটি সংশোধন করা হবে কি না, সেই প্রশ্নও করেন তিনি।
আজ বুধবার জাতীয় সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরীর কাছে সম্পূরক প্রশ্নে এসব কথা বলেন হাসনাত।
হাসনাত বলেন, বিদ্যমান প্রেস কাউন্সিল আইনে মূলত ছাপা সংবাদে প্রকাশিত অপতথ্য বা বিভ্রান্তিকর খবরের বিরুদ্ধে অভিযোগ করার সুযোগ রয়েছে। কিন্তু কোনো সংবাদপত্রের অনলাইন সংস্করণে কাউকে ব্যক্তিগতভাবে আক্রমণ বা অপতথ্য প্রকাশ করা হলে তাঁর বিরুদ্ধে একইভাবে প্রেস কাউন্সিলে অভিযোগ করা যায় না বলে মন্তব্য করেন তিনি।
এনসিপির এ সংসদ সদস্য বলেন, সংসদে একটি মিডিয়ার বিষয়ে বক্তব্য দেওয়ার পর ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে তাঁকে নিয়ে ১০৯টি ‘উদ্দেশ্যমূলক সংবাদ’ প্রকাশ করা হয়েছিল। কিন্তু সেগুলো অনলাইনে প্রকাশিত হওয়ায় প্রেস কাউন্সিলে অভিযোগ করতে পারেননি বলে দাবি করেন তিনি। বিরোধীদলের সদস্যদের লক্ষ্য করে অনলাইনে অপতথ্য ছড়ানো হলে প্রতিকার পাওয়ার উপায় কী, জানতে চান হাসনাত।
একই সঙ্গে অনলাইন সংবাদকে প্রেস কাউন্সিলের আওতায় আনতে বিদ্যমান আইন সংশোধন করা হবে কি না, সেই প্রশ্নও করেন তিনি।
জবাবে তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী বলেন, শুধু বিরোধী দলের সদস্যরাই অনলাইনে আক্রমণের শিকার হচ্ছেন, এমন নয়। নারী, সরকারি দলের সদস্য, প্রধানমন্ত্রী ও তাঁর পরিবারের সদস্যদেরও অনলাইনে আক্রমণ করা হচ্ছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রেস কাউন্সিলকে নতুনভাবে সাজানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। অনলাইন সংবাদকে প্রেস কাউন্সিলের আওতায় আনার বিষয়টিও সরকারের বিবেচনায় রয়েছে।
এ ছাড়া অপতথ্য ও বিভ্রান্তিকর তথ্য কীভাবে ঠেকানো যায়, সে বিষয়ে অন্যান্য দেশের ব্যবস্থা পর্যালোচনা এবং সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা চলছে বলে জানান ইয়াসের খান চৌধুরী।








