টানা ভারি বর্ষণে বুধবার কক্সবাজারের উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে মাদ্রাসার ওপর পাহাড়ধসে সাত শিশু শিক্ষার্থীসহ আটজন মারা গেছেন। একইভাবে চট্টগ্রামের পাঁচলাইশ ও সীতাকুণ্ডে দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। নরসিংদীর রায়পুরায় দেওয়ালচাপায় প্রাণ গেছে শিশুর। এর আগে সোম ও মঙ্গলবার কক্সবাজারে পাহাড়ধসে আরও ১১ জন মারা যান। প্রতিবছরই বর্ষার সময় পাহাড়ধসে মৃত্যুর ঘটনা ঘটে।

চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রুটে ট্রেন চলাচল বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। বৈরী আবহাওয়ায় খাগড়াছড়ি, রাঙামাটি ও বান্দরবানে সহস্রাধিক পর্যটক আটকা পড়েছেন। বঙ্গোপসাগরে পাঁচ ট্রলার ডুবে গেছে। অন্য জেলেরা উদ্ধার হলেও নিখোঁজ রয়েছেন ১৫ জন। দেশের বিভিন্ন এলাকা প্লাবিত হয়ে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে ফসলের। পানিবন্দি হয়ে পড়েছে লাখো মানুষ। হাজারো মানুষ ঠাঁই নিয়েছেন আশ্রয়কেন্দ্রে। অতি ভারি বৃষ্টির পাশাপাশি ভারত থেকে নেমে আসা ঢলে চট্টগ্রাম, সিলেট, ময়মনসিংহ ও রংপুর বিভাগের নদীর পানি বাড়ছে। কিছু কিছু স্থানে বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। ১৫ জেলায় বন্যার পূর্বাভাস দিয়েছে পানি উন্নয়ন বোর্ড। স্টাফ রিপোর্টার, ব্যুরো ও প্রতিনিধিদের পাঠানো খবর-

কক্সবাজার : উখিয়ায় আবারও প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে। এবার রোহিঙ্গা আশ্রয়শিবিরের একটি মাদ্রাসা ও হিফজ কেন্দ্রের ওপর পাহাড় ধসে পড়ে সাত শিশু শিক্ষার্থীসহ আটজনের মৃত্যু হয়েছে। নিহত অপর একজন মাদ্রাসার শিক্ষক বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। এ ঘটনায় অন্তত ২৭ জন আহত হয়েছেন। বুধবার দুপুর ২টার দিকে উখিয়ার ৫ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পের এ-৩ ব্লকে এ দুর্ঘটনা ঘটে। টানা বৃষ্টিতে পাহাড়ের একটি বড় অংশ ধসে পাশের মাদ্রাসা ও হিফজ কেন্দ্রের ওপর পড়লে মুহূর্তেই ভবনটি মাটিচাপা পড়ে যায়। দুর্ঘটনার সময় সেখানে অর্ধশতাধিক শিক্ষার্থী কুরআন শিক্ষা নিচ্ছিল বলে জানিয়েছেন প্রত্যক্ষদর্শীরা। শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার (আরআরআরসি) মো. মিজানুর রহমান যুগান্তরকে বলেন, উদ্ধার অভিযান এখনও চলছে। হতাহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।

ঘটনার পরই স্থানীয় রোহিঙ্গা স্বেচ্ছাসেবকরা খালি হাতে উদ্ধারকাজ শুরু করেন। পরে ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট, আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন), আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এবং বিভিন্ন মানবিক সংস্থার সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান জোরদার করেন।

এ দুর্ঘটনার আগে সোম ও মঙ্গলবার জেলায় পাহাড় ও দেওয়াল ধসে ১১ জন মারা যান।

কক্সবাজারের বিভিন্ন নিম্নাঞ্চল ও উপকূলীয় এলাকা প্লাবিত হয়েছে। জেলার বিভিন্ন স্থানে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হওয়ায় হাজারো মানুষ দুর্ভোগে পড়েছেন। অনেক সড়ক তলিয়ে যাওয়ায় স্বাভাবিক জনজীবন ব্যাহত হচ্ছে এবং যোগাযোগ ব্যবস্থাও বিঘ্নিত হয়েছে। পাহাড়ঘেঁষা বসতি ও নিচু এলাকার বাসিন্দাদের নিরাপদ স্থানে সরে যাওয়ার জন্য মাইকিংসহ বিভিন্ন মাধ্যমে সতর্ক করা হচ্ছে।

চট্টগ্রাম, সীতাকুণ্ড, লোহাগাড়া দক্ষিণ, কর্ণফুলী, চন্দনাইশ ও চবি : চতুর্থ দিনের মতো বুধবারও ভারি বর্ষণ অব্যাহত ছিল। অতিবর্ষণে নগরীর আরও নতুন নতুন এলাকায় জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। বৃষ্টির সঙ্গে যোগ হয়েছে পাহাড়ি ঢল ও কর্ণফুলী নদীর জোয়ারের পানি। বেলা বাড়তে বাড়তেই পানিও বাড়তে থাকে। এতে জনজীবন প্রায় স্থবির হয়ে পড়ে। বিপর্যস্ত অবস্থার মধ্যে দিনটি অতিবাহিত করে নগরবাসী। সড়ক, মহাসড়ক অলিগলি আবাসিক এলাকায় গতকালও হাঁটু থেকে গলা সমান পানি ছিল। নগরীর পাঁচলাইশ থানার চশমা হিল এলাকায় পাহাড় ধসে মাটিচাপা পড়ে সুমাইয়া আক্তার নামে নামে ১১ বছর বয়সি এক শিশু মারা গেছে। সীতাকুণ্ডের জঙ্গল সলিমপুরে পাহাড় ধসে মাটিচাপা পড়ে আশরাফুল ইসলাম তানভীর নামের ১০ মাস বয়সি এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। পানি না কমা পর্যন্ত চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রুটে ট্রেন চলাচল বন্ধ ঘোষণা করেছে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ। কক্সবাজারের ট্রেন যাত্রা বাতিল করে যাত্রীদের টিকিটের টাকা ফেরত দেওয়া হয়েছে। রেলপ্রতিমন্ত্রী বুধবার সিটি মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেনকে নিয়ে পানিতে তলিয়ে যাওয়া রেললাইন পরিদর্শন করেছেন।

সাতকানিয়া উপজেলায় সাঙ্গু নদী ও বিভিন্ন খালের পানি উপচে লোকালয়ে ঢুকে পড়ায় নিম্নাঞ্চল ও নদীতীরবর্তী এলাকার হাজারো মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন। তলিয়ে গেছে গ্রামীণ সড়ক, বাড়িঘর, কৃষিজমি ও মৎস্য খামার। বন্যা পরিস্থিতির কারণে উপজেলার মাধ্যমিক পর্যায়ের চলমান অর্ধবার্ষিক পরীক্ষা বুধবার ও বৃহস্পতিবার দুই দিনের জন্য স্থগিত করা হয়েছে। চন্দনাইশে সাঙ্গু নদীতে পানি বাড়ছে। উপজেলার হাসিমপুর ইউনিয়নের সৈয়দাবাদ বহদ্দার পাড়ায় কাঞ্চন মিয়ার বাড়িতে গাছ উপরে পড়ে ঘরবাড়ি ভেঙে যায়।

চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের লোহাগাড়া উপজেলার আধুনগর এলাকায় ডলু নদীর ওপর নির্মিত সেতুর দক্ষিণ প্রান্তের সংযোগ (অ্যাপ্রোচ) সড়কে ফাটল দেখা দিয়েছে। প্লাবিত হয়েছে সাতকানিয়া আদালত চত্বর ও আদালত ভবন। এতে বুধবার আদালতের বিচারিক কার্যক্রম সাময়িকভাবে বন্ধ ঘোষণা করা হয়। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) সব ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।

খাগড়াছড়ি : জেলায় প্লাবিত হয়েছে নিম্নাঞ্চল এবং সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। এদিকে দীঘিনালা-সাজেক সড়কের কবাখালী, বাঘাইহাট বাজার ও মাচালং বাজারসংলগ্ন এলাকায় সড়ক ডুবে সাজেকের সঙ্গে খাগড়াছড়ির যান চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে। এতে আটকা পড়েছে ৫ শতাধিক পর্যটক।

রাঙামাটি : বহু মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন। বেড়েছে পাহাড় ধসের শঙ্কা। কাপ্তাই হ্রদের পানি বেড়ে যাওয়ায় রাঙামাটি সদর, নানিয়ারচর, লংগদু, বাঘাইছড়ি, বরকল, জুরাছড়ি ও বিলাইছড়ির বিস্তীর্ণ নিম্নাঞ্চল তলিয়ে গেছে। পানিবন্দি মানুষ চরম দুর্ভোগে। বিপর্যস্ত জনজীবন। প্রাকৃতিক দুর্যোগ বিবেচনায় বৃহস্পতিবার জেলার সব প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পাঠদান বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। জেলার বিভিন্ন স্থানে পাহাড় ধসের খবর পাওয়া গেছে। এতে বিভিন্ন সড়কে যোগাযোগ বিঘ্নিত হচ্ছে। বাঘাইছড়ি উপজেলার সাজেক পর্যটন কেন্দ্রে ছয় শতাধিক পর্যটক আটকা পড়েছেন।

বান্দরবান ও নাইক্ষ্যংছড়ি : জেলা শহরসহ আশপাশের নিম্নাঞ্চল এবং নাইক্ষ্যংছড়ি, রোয়াংছড়ি, লামা, আলীকদম উপজেলায় সহস্রাধিক ঘরবাড়ি প্লাবিত হয়েছে। জেলার সাঙ্গু ও মাতামুহুরি নদীর পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। বন্যাকবলিতরা আশ্রয় কেন্দ্রে উঠতে শুরু করেছে। নদীতীরবর্তী এবং পাহাড় ধসের ঝুঁকিতে বসবাসকারীদের নিরাপদ আশ্রয়ে সরে যেতে মাইকিং করা হচ্ছে। খোলা হয়েছে ২২০টি আশ্রয়কেন্দ্র এবং প্রশাসনের জরুরি কন্ট্রোল রুম।

বান্দরবানে থানচিতে দুর্গমাঞ্চলে আরও ৩৭ পর্যটক আটকে পড়েছে, ক্যাওক্রাডং ৭৭ পর্যটক ফিরেছে নিরাপদে। থানচি উপজেলায় সাঙ্গু নদী-পাহাড়ের ঝিরিখালে পানি বেড়ে বিপজ্জনক হয়ে উঠেছে।

রায়পুরা (নরসিংদী) : রায়পুরায় মাটির ঘরের দেওয়াল ধসে তানঝুমা নামে এক শিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়েছে। বুধবার দুপুর সাড়ে ১২টায় উপজেলার মরজাল ইউনিয়নের মাইজপাড়ায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

কুয়াকাটা (পটুয়াখালী) : কুয়াকাটাসংলগ্ন বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপ ও লঘুচাপজনিত বৈরী আবহাওয়ার প্রভাবে সৃষ্ট ঝড়ো হাওয়া ও উত্তাল ঢেউয়ে তিনটি মাছধরা ট্রলার ডুবে গেছে। এ ঘটনায় অন্তত ১৩ জন জেলে নিখোঁজ রয়েছেন। এছাড়া আরও অন্তত পাঁচটি ট্রলার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জেলেদের সূত্রে জানা গেছে।

বরগুনা, তালতলী ও পাথরঘাটা : তালতলী উপজেলার মধ্য আমখোলা গ্রামের দুটি ট্রলার সাগরে ইলিশ শিকার করতে গিয়ে তলিয়ে গেছে। বুধবার সকালে দুই ট্রলারের ১৬ জন জেলে উদ্ধার করলেও কালাম পাইক ও শহীদুল খান নামের দুজন জেলে নিখোঁজ রয়েছেন।

বরিশাল : সাগর উত্তাল থাকায় তিন দিন ধরে বন্ধ রয়েছে বঙ্গোপসাগরে মাছ শিকার। গভীর সমুদ্রে থাকা ট্রলারগুলোর নিরাপদ আশ্রয়ে এসে অবস্থান নিয়েছে পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার মহিপুর খালে। লঘুচাপের প্রভাবে তৈরি বিরূপ আবহাওয়ার কারণে এরই মধ্যে তিন নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত জারি করেছে আবহাওয়া বিভাগ। পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত সাগরে মাছ শিকার শুরু হবে না বলে জানিয়েছেন কলাপাড়া, আলিপুর ও মহিপুরের মৎস্য ব্যবসায়ীরা।

ময়মনসিংহ : টানা সাড়ে আট ঘণ্টার ভারি বৃষ্টিতে ময়মনসিংহ নগরীর বিভিন্ন সড়ক ও নিচু এলাকায় সৃষ্টি হয়েছে জলাবদ্ধতা। বুধবার ভোর রাত থেকে বৃষ্টির পানিতে প্রধান সড়ক, হাসপাতাল, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, বাজার ও আবাসিক এলাকার অলিগলিতে পানি জমে যায়। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়েন অফিসগামী মানুষ, শিক্ষার্থী, ব্যবসায়ী ও সাধারণ পথচারীরা।

নগরীর ব্রাহ্মপল্লী এলাকায় বুধবার সকালে বিছানা থেকে বসতঘরের পানিতে ডুবে আরিয়ান নামে ৮ মাসের এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে।

হবিগঞ্জ ও মাধবপুর : হবিগঞ্জে নদ-নদীগুলোতে অব্যাহতভাবে পানি বাড়ছে। ইতোমধ্যেই বিপৎসীমা অতিক্রম করেছে খোয়াই ও কুশিয়ারা নদীর পানি। সুতাং, করাঙ্গি, সোনাইসহ অন্যান্য নদীতেও প্রতিনিয়ত পানি বাড়ছে। ফলে নদীতীরবর্তী এলাকাসহ হাওরাঞ্চলের মানুষের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। মাধবপুর উপজেলায় কৃষিজমি, মাছের খামার, খাল, সড়ক ও বসতঘরের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

ভোলা, চরফ্যাশন ও মনপুরা : চরফ্যাশনের সাগর মোহনার ৫ কপাট এলাকায় ঝড়ের তোড়ে ৫২ জন জেলেসহ ৩টি ট্রলার ডুবে গেছে। এর মধ্যে একটি গত রাতে পাতাইল্লা ধানখালী এলাকায় রফিজল মাঝির ট্রলার ১৮ জেলেসহ ডুবে গেছে। এদের মধ্যে আজ দুপুর পর্যন্ত ১২ জেলেকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। মনপুরায় মেঘনার পানি বিপৎসীমার ২৯ সেন্টিমিটার ওপর প্রবাহিত হচ্ছে। এতে উপকূলের নিম্নাঞ্চল ও চরাঞ্চল ৩-৪ ফুট জোয়ারে প্লাবিত হয়েছে। পানিবন্দি হয়ে পড়েছে ১০ হাজার বাসিন্দা।

মৌলভীবাজার : জেলার সবগুলো নদ নদীতে পানি বেড়েছে। বৃষ্টি অব্যাহত থাকলে নদীর পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হবে। তবে বুধবার বিকাল পর্যন্ত সবগুলো নদীর পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করেনি।

লালমনিরহাট ও কালীগঞ্জ : তিস্তা নদীর পানি দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে। এতে নদীতীরবর্তী নিম্নাঞ্চলে পানি প্রবেশ শুরু করেছে। তবে এখন পর্যন্ত বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি। বুধবার বিকাল ৩টায় তিস্তা ব্যারাজের ডালিয়া পয়েন্টে নদীর পানি বিপৎসীমার ১৬ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হয় বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড।

সিলেট ও ফেঞ্চুগঞ্জ : সিলেট বিভাগে আকস্মিক বন্যার আশঙ্কা করা হচ্ছে। আবহাওয়া অফিস সিলেটের সহকারী আবহাওয়াবিদ রুদ্র তালুকদার জানিয়েছেন, সিলেটে মঙ্গলবার সকাল ৬টা থেকে বুধবার সকাল ৬টা পর্যন্ত ৫২.৬ মিলিমিটার, সকাল ৬টা থেকে ৯টা পর্যন্ত ৩২ মিলিমিটার ও সকাল ৯টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত ৪৪ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে। ফেঞ্চুগঞ্জে বৃষ্টির পানিতে ফেঞ্চুগঞ্জ বাজারের পোস্ট অফিস রোড এলাকায় সৃষ্টি হয়েছে তীব্র জলাবদ্ধতা।