অ্যাপলের নতুন আইফোন বা আইপ্যাড কিনেও অনেক ব্যবহারকারী অজান্তেই পুরোনো বা কম ক্ষমতার চার্জার ব্যবহার করছেন। ফলে ডিভাইসটি যত দ্রুত চার্জ হওয়ার কথা, বাস্তবে তার অনেক কম গতিতে চার্জ হচ্ছে। প্রযুক্তিবিষয়ক ওয়েবসাইট বলছে, সঠিক ওয়াটের চার্জার ব্যবহার না করলে শুধু সময়ই নষ্ট হয় না, ব্যবহারকারীর দৈনন্দিন অভিজ্ঞতাও ব্যাহত হয়। বর্তমানে অ্যাপল আর নতুন আইফোনের বক্সে চার্জিং অ্যাডাপ্টার দেয় না। তাই অনেকেই আগের ৫ বা ১৮ ওয়াটের চার্জার দিয়েই নতুন মডেল চার্জ করছেন। অথচ সর্বশেষ আইফোন ১৭, ১৭ প্রো ও ১৭ প্রো ম্যাক্স সর্বোচ্চ ৪০ ওয়াট পর্যন্ত ফাস্ট চার্জিং সমর্থন করে। অন্যদিকে, আইফোন এয়ার সর্বোচ্চ ২০ ওয়াটে চার্জ নিতে পারে। আইপ্যাডের ক্ষেত্রেও একই চিত্র। ২০২৫ সালের বেস মডেলের আইপ্যাড সর্বোচ্চ ৪৫ ওয়াট এবং এম৫ আইপ্যাড প্রো সর্বোচ্চ ৬০ ওয়াট পর্যন্ত চার্জিং সমর্থন করে। তবে অ্যাপল এখনো আইপ্যাডের সঙ্গে ২০ ওয়াটের চার্জার দেয়, যা ডিভাইসের সর্বোচ্চ সক্ষমতা কাজে লাগাতে পারে না। চার্জিং স্পিড ওয়াট দিয়ে পরিমাপ করা হয়। চার্জারের ওয়াট যত বেশি এবং ডিভাইসের সমর্থিত সীমার মধ্যে থাকলে, তত দ্রুত চার্জ সম্পন্ন হয়। তবে দ্রুত চার্জিংয়ের জন্য চার্জার ছাড়াও ইউএসবি পাওয়ার ডেলিভারি সমর্থিত মানসম্মত শুধু ব্যবহার করাও জরুরি। বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন আইফোন বা আইপ্যাড কিনলে চার্জারের ক্ষমতাও যাচাই করা উচিত। ৪০, ৪৫ বা ৬০ ওয়াট সমর্থিত ডিভাইসকে ৫ বা ২০ ওয়াটের চার্জারে চার্জ দিলে অপ্রয়োজনীয়ভাবে অনেক বেশি সময় লাগবে। তাই প্রয়োজন অনুযায়ী উপযুক্ত ফাস্ট চার্জার ব্যবহার করলে অল্প সময়েই বেশি চার্জ পাওয়া সম্ভব হবে এবং দৈনন্দিন ব্যবহারে মিলবে আরও ভালো অভিজ্ঞতা।