‘আমি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বন্ধু না। আমি বিএনপির সাধারণ একজন কর্মী’-এমন মন্তব্য করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। সচিবালয়ে বৃহস্পতিবার গণমাধ্যম কেন্দ্রে বাংলাদেশ সেক্রেটারিয়েট রিপোর্টার্স ফোরাম (বিএসআরএফ) আয়োজিত সংলাপে প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন, তারেক রহমান বড় হয়েছেন ঢাকায়। পড়াশোনা করেছেন ঢাকায়। আর আমার জন্ম-বেড়ে ওঠা-পড়াশোনা বগুড়া ও শিবগঞ্জে। তারেক রহমানের সঙ্গে তার রাজনৈতিকভাবে সাক্ষাৎ হয় ১৯৯৩-৯৪ সালে, তিনি ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক হওয়ার পর যখন তারেক রহমান বগুড়ায় যাওয়া-আসা শুরু করলেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, পরবর্তী সময়ে বিএনপির কর্মী হিসাবে তিনি বিভিন্ন সময় স্থানীয় সরকারের জনপ্রতিনিধি নির্বাচিত হয়েছেন। বগুড়া জেলায় দায়িত্ব পালন করেছেন। যেহেতু তারেক রহমানের বাড়ি বগুড়ায়, তাই তার সঙ্গে বহুবার সাক্ষাৎ হয়েছে। দেখা হয়েছে। স্বাভাবিক কারণেই তারেক রহমান আমাকে স্নেহ করেন। বিভিন্ন সময় পরামর্শ দেন। বগুড়ার মানুষ হিসাবে এটুকু যোগাযোগ প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তার আছে। তিনি তাকে চেনেন, ব্যক্তিগতভাবে জানেন এটুকুই তার সঙ্গে সম্পর্ক। তারেক রহমানের সঙ্গে তার বয়সেরও অনেক তারতম্য রয়েছে।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ করার ক্ষেত্রে চ্যালেঞ্জ রয়েছে। যদিও সরকার নির্বাচন সুষ্ঠু করতে বদ্ধপরিকর, এজন্য তিনি সংশ্লিষ্ট সবার সহযোগিতা কামনা করেছেন। কেননা স্থানীয় সরকারের পাঁচটি স্তরের কয়েক হাজার সংস্থা বা কাঠামোর নির্বাচন হবে। এজন্য চলতি অর্থবছরে বাজেটে বরাদ্দ রেখেছে সরকার। নির্বাচন কমিশন স্থানীয় সরকার নির্বাচনের প্রস্তুতি নেওয়া শুরু করেছে। এ বছর সরকারের সামনে দুটি বড় চ্যালেঞ্জ রয়েছে। এর একটি হচ্ছে বাজেট বাস্তবায়ন, অন্যটি স্থানীয় সরকার নির্বাচন সুষ্ঠু করা। তিনি বলেন, আমি উন্নয়নপাগল মানুষ। সেজন্য তিনি এলাকার জন্য কাজ করছেন। হেলিপ্যাড হয়েছে। উপজেলা হয়েছে। রাস্তাঘাট হচ্ছে। মসজিদ ও মন্দিরের উন্নয়ন হচ্ছে। আরও কাজ হবে। তুরস্কের সহযোগিয়তায় বগুড়ায় ড্রোন তৈরির কারখানা হবে বলেও জানান।
তিনি জানান, বগুড়া বিমানবন্দরটি বেশ পুরোনো এবং বাংলাদেশের সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও বিগত সময়ে বিএনপির শাসনামলে বিমানবন্দর উন্নয়নের উদ্যোগ নেওয়া হলেও পরে সরকার পরিবর্তন হওয়ায় কার্যক্রম আর এগোয়নি। এজন্য বগুড়া বিমানবন্দরকে আন্তর্জাতিক মানের বিমানবন্দরে রূপান্তরিত করা হচ্ছে।








