বিপুল চন্দ্র রায়
বুকের জমিনে
যে প্রতিমা গড়েছি সংগোপনে,
মন্দির-বেদিতে
মাথা ঠুকে ঠুকে, কেটেছে প্রহর কত!
যারে চেয়েছি
পরান সঁপে, সে আজও স্মৃতির মতো।
একজনের তরে
ফুরালো হৃদয়, অন্যতে বসবাস!
অথচ যারে
আমি চাই নাই কভু,
সে এসে বসেছে আমার ঘরে আজ।
যারে পাওয়া হলো,
সে তো দেহ মাত্র, মন পড়ে রয় দূরে।
বিধির চক্রে
আজও কেঁদে মরে কত প্রাণ ভাঙা সুরে।
অন্ধকারের নৈশ সংগীত
কত যে আত্মার
আহুতি ঘটলো এ জীবনের রণে!
তবুও এ দেহে
বয়ে চলে শ্বাস, নিয়তির আজ্ঞায়,
মিথ্যে হাসিমুখে লৌকিক দিনরাত।
যারে চাওয়া হলো...
সে তো কভু আর ফিরবে না এই তীরে,
বাকি জীবনটা
কেটে যাবে শুধু ছায়ার মতন ভিড়ে।
মৌন এ বুকে
চেপে রেখে ক্ষত, হাসিমুখে বাঁচি রোজ।
যার ঘর হলো,
সে কি কোনোদিনও নেবে এই মনের খোঁজ?
এসইউ








