বগুড়ার শেরপুর উপজেলার খানপুর ইউনিয়নের শালফা গ্রামে পূর্ব শত্রুতার জেরে এক যুবদল নেতাকে ছুরিকাঘাতের অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাস্থল থেকে অভিযুক্ত এক কিশোরকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছেন স্থানীয়রা। আজ রোববার সকাল ১০টায় শালফা-গজারিয়া সড়কের একটি সেতুর ওপর এ ঘটনা ঘটে।
আক্রান্ত মো. এরশাদ আলী শালফা গ্রামের বাসিন্দা এবং খানপুর ইউনিয়ন যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক। অভিযুক্ত রাব্বি (১৭) একই গ্রামের মো. নুরনবীর ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সকালে আর্জেন্টিনার খেলা দেখে বাড়ি ফিরছিলেন এরশাদ আলী। শালফা-গজারিয়া সড়কের সেতুর ওপর পৌঁছালে আগে থেকে ওত পেতে থাকা রাব্বি হামলা চালান বলে অভিযোগ। ধারালো অস্ত্র দিয়ে এরশাদের পিঠ, বুক ও হাতে আঘাত করেন তিনি। পরে স্থানীয় লোকজন তাঁকে শেরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করান।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, হামলার সময় স্থানীয় কয়েকজন এগিয়ে গেলে তাঁদেরও ভয়ভীতি দেখান রাব্বি। পরে আরও লোকজন জড়ো হয়ে রাব্বিকে আটক করে স্থানীয় বিএনপির কার্যালয়ে রাখেন। পরে পুলিশ এসে তাঁকে থানায় নেয়।
অভিযুক্ত রাব্বি বলেন, ‘এরশাদের সঙ্গে আমার আগের একটি বিরোধ ছিল। সেই কারণেই তাকে মারধর করেছি।’
খানপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মজিদ ঘটনার নিন্দা জানিয়ে অভিযুক্তের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেছেন।
শেরপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. আমিরুল ইসলাম বলেন, স্থানীয় লোকজন অভিযুক্তকে আটক করে রেখেছিলেন। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে তাঁকে থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।








