চট্টগ্রামের বোয়ালখালীতে গ্রেপ্তারি পরোয়ানাভুক্ত আসামি মোহাম্মদ মহিউদ্দিনকে (২৮) ধরতে গিয়ে ধস্তাধস্তিতে তিন পুলিশ সদস্য ও মামলার বাদীসহ অন্তত পাঁচজন আহত হয়েছেন। পুলিশের দাবি, মহিউদ্দিন পুলিশ সদস্যদের আঁচড় ও কামড় দিয়েছেন। তবে হাতকড়াসহ পালিয়ে গিয়েও শেষরক্ষা হয়নি মহিউদ্দিনের। পুলিশ তাঁকে আটক করেছে।

গতকাল রোববার দিবাগত রাত ১১টার দিকে উপজেলার চরণদ্বীপ মসজিদঘাটা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, মহিউদ্দিন উত্তর করলডেঙ্গা বাদশা বৈদ্যর বাড়ি এলাকার বাসিন্দা। আবদুল মান্নান নামের এক ব্যক্তি তাঁর বিরুদ্ধে সিআর মামলা করলে আদালত গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন।

রোববার রাত ১১টার দিকে মহিউদ্দিনকে গ্রেপ্তারে অভিযান চালায় পুলিশ। অভিযানে মামলার বাদীও উপস্থিত ছিলেন। এ সময় পুলিশের ওপর হামলার ঘটনা ঘটে।

আহত পুলিশ সদস্যরা হলেন উপপরিদর্শক আবদুল হালিম (৪৮), সহকারী উপপরিদর্শক মাসুম বিল্লাহ (৩৫) ও কনস্টেবল হাসানুজ্জামান (৩২)। তাঁরা রাত সাড়ে ১২টার দিকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগে চিকিৎসা নেন বলে জানান কর্তব্যরত চিকিৎসক কৌশিক দাশ।

মামলার বাদী আবদুল মান্নান (৫৫) ও মোক্তার হোসেনও (৪০) আহত হয়েছেন।

ঘটনার পর চরণদ্বীপ ইউনিয়ন পরিষদে নিয়োজিত গ্রাম পুলিশ জেবল হোসাইনকে (২৩) আটক করেছে পুলিশ।

বোয়ালখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোজাফফর হোসেন বলেন, আদালতের গ্রেপ্তারি পরোয়ানাভুক্ত আসামিকে ধরতে গেলে তিনি পুলিশ সদস্যদের আঁচড় ও কামড় দেন। তবে তাঁকে গ্রেপ্তার করা গেছে। তাঁর আত্মীয় গ্রাম পুলিশ জেবল হোসাইনকেও আটক করা হয়েছে।

জেবল হোসাইন মূল মামলার আসামি নন উল্লেখ করে ওসি বলেন, পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় তাঁর বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।