অঙ্গ আর কলিঙ্গের পর বঙ্গে (পশ্চিমবঙ্গ) ক্ষমতা সুসংহত করার পরেও এতবড় ধাক্কাটা যে খাবে তা বোধহয় ভারতীয় জনতা পার্টি বিজেপি স্বপ্নেও ভাবেনি। প্রশ্নফাঁস কেলেঙ্কারি থেকে যিনি নায়ক বনে গিয়েছিলেন সেই কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানকে পদত্যাগ করতে হলো ‘তেলাপোকা’দের কাছে নতিস্বীকার করে। নেপাল, বাংলাদেশের পর ভারতের জেন-জিরাও দেখিয়ে দিলেন তারা পদাঘাতে ভাঙতে চান পাথর বাধা, কারণ এ বয়সে যে কেউ মাথা নােয়াবার নয়!

শনিবার (২৫ জুলাই) ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর কাছে তার পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান। ৭ সপ্তাহ ধরে চলা আন্দোলনের শুরু থেকে ককরোচ জনতা পার্টিও (সিজেপি) বলে আসছিল তাদের মূল দাবিও এটি-শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ।

তবে এ আন্দোলনের আরও কিছু লক্ষ্য ছিল-ভারতে শিক্ষাব্যবস্থার আমূল পরিবর্তন এবং গুরুতর প্রশ্নফাঁসের দায় সরকারের নিজের কাঁধে নেওয়া।

মে মাসে ভারতের প্রধান মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষা ন্যাশনাল এলিজিবিলিটি কাম এন্ট্রান্স টেস্ট-নিট এর প্রশ্নফাঁসের পরই শিক্ষার্থীরা ভারতজুড়ে আন্দোলনে ফুঁসে ওঠেন। তখন সিজেপি দাবি করে-এই ঘটনার নৈতিক দায় শিক্ষামন্ত্রীর নেওয়া উচিত এবং তার পদত্যাগ করতে হবে।

ওই সময় সিজেপি আরও দাবি করে- নিট প্রশ্নফাঁসের পর হতাশায় আত্মহত্যা করা পরীক্ষার্থীদের পরিবারকে সরকারের এক কোটি রূপি ক্ষতিপূরণ দিতে হবে এবং যেসব আন্দোলনকারীর নামে মামলা হয়েছে সেগুলো প্রত্যাহার করে নিতে হবে।

মোদী সরকারের প্রথম পরাজয় কৃষকদের কাছে

২০১৪ সালে ক্ষমতায় আসা নরেন্দ্র মোদীর সরকার এখন পর্যন্ত ভারতে কোনো আন্দোলনকে মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে দেয়নি। ২০২০ থেকে ২০২১ পর্যন্ত কৃষক আন্দোলনের পর যদিও বিতর্কিত তিনটি আইন বাতিল করা হয়েছিল।

অনড় থাকা মোদী সরকার শেষ পর্যন্ত কৃষকদের দাবি মানতে বাধ্য হয়েছিলেন মূলত দুটো কারণে। প্রায় ৪০টি কৃষক ইউনিয়নের সমন্বয়ে গঠিত সম্মুক্ত কিষাণ মোর্চা (এসকেএম) সরকারের অনুরোধের পরও তাদের বিক্ষোভ বন্ধ করছিল না। কৃষকরা নিয়মিতই মহাসড়ক অবরোধ করছিলেন, তীব্র গরম বা শীতেও, এমনকি করোনাকালীনও। সরকার প্রথমদিকে তাদের সঙ্গে আলোচনায় বসে প্রস্তাব দেয় যে, বিতর্কিত আইনগুলো ২ বছরের জন্য অকার্যকর করে রাখা হবে। এতেও কৃষকদের মধ্যে উত্তেজনা না কমলে ভারত সরকার অপেক্ষা করার এবং পরিস্থিতি আরও পর্যবেক্ষণের সিদ্ধান্ত নেয়।

পরবর্তীতে উল্লেখযোগ্য ঘটনাটি ঘটে ভারতের উত্তরপ্রদেশের লক্ষ্মীপুরে। কেন্দ্রীয় এক মন্ত্রীর ছেলে ২০২১ এর অক্টোবরের শুরুতে বিক্ষোভরত কৃষকদের ওপর চলন্ত গাড়ি উঠিয়ে দেন। এ ঘটনায় চার কৃষক ও এক সাংবাদিকসহ ৮ জন নিহত হন। পরবর্তীতে ওই মন্ত্রীর ছেলেকে গ্রেফতারও করা হলেও এ ঘটনার পর কৃষক আন্দোলন ইস্যুতে সরকার অনেকটাই ব্যকফুটে চলে যায়।

কৃষকদের দাবি মেনে নেওয়ার আরেকটি কারণ হলো ওই সময় ভারতের পাঞ্জাব, উত্তরপ্রদেশ ও উত্তরাখণ্ডে প্রাদেশিক নির্বাচন ঘনিয়ে আসছিল এবং বিজেপি এটা জানতো যে এই তিন প্রদেশের কৃষকদের রাগ ভোটের ফলে একটা বড় প্রভাব ফেলতে পারে। শেষ পর্যন্ত কৃষকদের কাছে নতিস্বীকার করে মোদী সরকার।

প্রশ্নফাঁসের নায়ক থেকে ভিলেন হলেন শিক্ষামন্ত্রী

ছাত্রজীবনে প্রশ্নফাঁসের বিরুদ্ধে আন্দোলন করে রাজনীতির ফ্রন্টলাইনে আসা ভারতের কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীর শেষটা সুখকর হলো না। নিট-প্রশ্নফাঁসের জেরে পদত্যাগই করতে হলো তাকে। যদিও গতকাল শুক্রবারও অনড় অবস্থানে ছিল কেন্দ্রীয় সরকার, জানিয়েছিল কিছুতেই সরবেন না শিক্ষামন্ত্রী।

jagonews24.com

সরকার ও ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) মধ্যকার তৃতীয় দফা বৈঠকের কয়েক ঘণ্টা আগেই ধর্মেন্দ্র প্রধান সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স এ তার পদত্যাগের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

তিনি লেখেন, এই দেশের যুবসমাজের আকাঙ্ক্ষা, অনুভূতি এবং ন্যায্য প্রত্যাশার প্রতি আমার গভীর শ্রদ্ধা রয়েছে। ভারতের তরুণ এই প্রজন্মের স্বপ্ন বাস্তবায়ন করাই আমাদের রাজনৈতিক ও সামাজিক জীবনের নৈতিক সংকল্প।

তিনি আরও লেখেন, তার দূরদর্শী নেতৃত্বের অধীনে জাতির সেবা করার সুযোগ দেওয়ার জন্য আমি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে ধন্যবাদ জানাই।

বিজেপির ১২ বছরের ইতিহাসে ‘প্রথম’

ভারতে গত ১২ বছর ধরে প্রধানমন্ত্রীর পদে আছেন নরেন্দ্র মোদী। তার এবং বিজেপির ১২ বছরে এই প্রথমবারের মতো কোনো মন্ত্রীকে চাপে পড়ে পদত্যাগে বাধ্য হতে হলো।

চলতি বছরের মে মাসে নিট প্রশ্নফাঁসের পর থেকেই শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবি জানিয়ে আসছে ভারতের তরুণ ও যুবসমাজ। প্রশ্নফাঁসের ঘটনায় হতাশায় পড়ে আত্মহত্যার পথ বেছে নেন এক ডজনেরও বেশি শিক্ষার্থী। এরপর সিজেপির নেতৃত্বে এই আন্দোলন আরও উত্তাল রূপ ধারণ করে।

গত সপ্তাহের সোমবার আন্দোলন আরও বেগবান হয়। পাঞ্জাব থেকে কৃষকরা দিল্লি অভিমুখে পদযাত্রার ঘোষণা দেন। ককরোচদের সমর্থনে আন্দোলন হয় আন্দামানেও। ভারতের সাম্প্রতিক ইতিহাসে যেটি আর হয়নি-লাখ লাখ তরুণ ও ছাত্র জনতা রাজধানী দিল্লির রাস্তায় নামেন। পুলিশ ছাত্র-জনতার এই শান্তিপূর্ণ আন্দোলনে বলপ্রয়োগ করে, ব্যাটন চালায়, টিয়ারগ্যাস ছোড়ে।

আন্দোলন ছড়িয়ে পড়ে সীমান্তবর্তী পশ্চিমবঙ্গেও। দিল্লির যন্তর মন্তরে সিজেপির অবস্থান কর্মসূচির সঙ্গে সংহতি প্রকাশ করে রাস্তায় নামেন সেখানকার সিজেপি সমর্থক ও সাধারণ ছাত্র-ছাত্রীরা। আহ্বান করা হয় কলকাতার ধর্মতলা থেকে শিয়ালদহ পর্যন্ত পদযাত্রার।

jagonews24.com

এ আন্দোলনে ককরোচ জনতা পার্টির সঙ্গে একাত্ম হয় স্টুডেন্ট ফেডারেশন অব ইন্ডিয়ার (এসএফআই) মতো অন্যান্য বড়-ছোট অনেক ছাত্র সংগঠন। ছাত্ররা আন্দোলনে এসেছিলেন নানা রঙে, নানা ঢঙে। কাউকে দেখা যায় সুপারহিরো চরিত্র স্পাইডারম্যানের মতো করে সেজে আসতে, কাউকে দেখা গেল ব্যাটম্যানের স্যুট পরে পুলিশের ব্যারিকেড টপকাচ্ছেন।

বাংলাদেশ-ভারত সবখানেই স্বৈরাচারের এক রূপ

২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থান দমনে তৎকালীন বাংলাদেশ সরকার যে ডিজিটাল অস্ত্রটি সবার আগে প্রয়োগ করে সেটি হলো ইন্টারনেট শাটডাউন। দিল্লিতে যন্তর-মন্তরের আশপাশ ছাড়াও অন্য যেসব জায়গায় আন্দোলনরত ছাত্রছাত্রীরা ছিলেন সেসব জায়গায় মোবাইল নেটওয়ার্ক ও ইন্টারনেট জ্যামার বসানো হয়। সোশ্যাল মিডিয়ায় এই আন্দোলনের সমর্থনে যত পোস্ট হচ্ছিল সবকিছুই কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ শুরু করে ভারত সরকার। মঙ্গলবার (২১ জুলাই) ভারতীয় কমিউনিস্ট পার্টির পশ্চিমবঙ্গ শাখার ‘ইনকিলাব জিন্দাবাদ’ লেখা একটি ফেসবুক পোস্ট স্ট্যাটাস দেওয়ার কিছুক্ষণ পরই তাদের পেজ থেকে কিছু সময়ের জন্য উধাও হয়ে যায়।

এখন পর্যন্ত নিহতের কোনো ঘটনা না ঘটলেও পুলিশের নির্যাতনের মুখে পড়া ও আহতের ঘটনা ঘটেছে ভারতে ককরোচদের এই আন্দোলনে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া কয়েকটি ভিডিওতে দেখা যায় পুলিশসহ অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা নির্বিচারে মোদীর বাসভবনের সামনে অবস্থান নেওয়া ছাত্রছাত্রীদের পেটাচ্ছেন। সেখান থেকে অবস্থানের দুই ঘণ্টার মধ্যে কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীকেও আটক করেন পুলিশ সদস্যরা।

jagonews24.com

কলকাতায় আন্দোলনে অংশ নিয়েছেন, স্টুডেন্ট ফেডারেশন অব ইন্ডিয়ার (এসএফআই) এমন এক সাবেক কর্মীর সঙ্গে কথা হয় জাগো নিউজের এই প্রতিবেদকের। তিনি জানান, আন্দোলনের শুরু থেকেই এসএফআইয়ের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদকের সঙ্গে যোগাযোগ রেখেছে সিজেপি।

ছাত্র-ছাত্রীদের তাদের অভিভাবকেরা ককরোচদের এই আন্দোলনে যেতে কতটা উৎসাহিত করেছেন-এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, কিছু কিছু বাবা মা সাপোর্ট করছে আর বাকিরা সরাসরি নামতে বারণ করছে। সবার প্রাণের ভয় আছে। যদি কিছু করে দেয়।

আন্দোলনে অংশ নেওয়ার কারণে সরকারের পক্ষ থেকে মামলার ভয় আছে কি না এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, আমাদের কাছে এটা নতুন কিছু না। যখন আগের সরকার ছিল আরজি করের মামলাতেও আমাদের অনেক কমরেডদের তুলে নিয়ে গিয়েছিল। আমাকে বাড়িতেও বিভিন্ন সময় নানা ধরনের হুমকি দেওয়া হয়েছে।

কথা হয় কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া আরও এক ছাত্রীর সঙ্গে। ককরোচ জনতা পার্টির সমর্থনে নামা আন্দোলনে পুলিশের হামলার শিকার হওয়ার কথা জানিয়েছেন তিনি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা এসএফআই এর এই সদস্য গতকাল (শুক্রবার) দুপুর আড়াইটায় শিয়ালদহ স্টেশন থেকে শুরু হওয়া মিছিলে অংশ নেন। তিনি জানান, মিছিলে সাধারণ ছাত্র জনতার মধ্যে বিজেপি সমর্থিত কিছু ছাত্র সংগঠনের সদস্যরা মিশে ছিলেন। তারা শিক্ষার্থীদের শান্তিপূর্ণ আন্দোলনের উদ্দেশ্যকে নস্যাৎ করতে উদ্দেশ্যমূলকভাবেই পুলিশের সঙ্গে উত্তেজনাকর পরিস্থিতির তৈরি করেন। এক পর্যায়ে পুলিশ আন্দোলনরতদের ওপর হামলা শুরু করে।

ঘটনার সময় তিনি প্রতিবেদককে বলেন, একদম সত্যি ঘটনা এটা। ওদের জন্য (ছদ্মবেশী দুষ্কৃতিকারী) আমরা মার খেয়েছি অকারণেই। পুলিশ বাহিনী হাত ধরে টেনে পেটাচ্ছে। কাঁধে আর পায়ে লেগেছে।

এখানে দুষ্কৃতিকারীদের মধ্যে কি বিজেপি বা এর ছাত্রসংস্থার লোকজন আন্দোলনরত ছাত্রদের মাঝে মিশে ছিল-প্রতিবেদকের এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ছিল, আমার নিজের কলেজের ছেলেপুলেও ছিল।

এটা কেবল প্রথম উইকেট

শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের পর জোরালো প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি অভিজিৎ দীপকে। একে গণতন্ত্রের জন্য বড় বিজয় বলে মন্তব্য করেন তিনি। সেই সঙ্গে আন্দোলন থামবে না বলেও সাফ জানিয়ে দেন সিজেপি প্রধান।

পদত্যাগের পর এক প্রতিক্রিয়ায় অভিজিৎ দীপকে বলেন, আমরা পেরেছি। ধর্মেন্দ্র প্রধান পদত্যাগ করেছেন। ভয় পাওয়ার কোনো কারণ নেই। এটিই গণতন্ত্র।

jagonews24.com

তবে এই পদত্যাগেই আন্দোলন শেষ হচ্ছে না বলে তিনি স্পষ্ট করেছেন তিনি।

সরকারের কাছে আরও দুটি সুনির্দিষ্ট দাবি তুলে ধরেন সিজেপি প্রতিষ্ঠাতা। প্রথমত, যেসব শিক্ষার্থী আত্মহত্যা করেছেন, তাদের প্রতি পরিবারকে এক কোটি রুপি করে ক্ষতিপূরণ দিতে হবে। দ্বিতীয়ত, গত ২০ তারিখের ঘটনায় পুলিশ প্রশাসনের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নিতে হবে। পুলিশকে আক্রমণ করে দীপকে বলেন, গত ২০ তারিখ যে পুলিশ গুন্ডারা হামলা চালিয়েছিল, সেইসব পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অবশ্যই ব্যবস্থা নিতে হবে।

অভিজিৎ দীপকে দ্ব্যর্থহীন কণ্ঠে জানিয়েছেন, এটি প্রথম উইকেট মাত্র। আমরা এখানেই থামছি না। এটি কেবল শুরু।

কিছুক্ষণ আগে কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী এক এক্স পোস্টে বলেছেন, এখন সময় হয়েছে এই সরকার পতনের। অভিজিৎ দীপকে বলছেন, এটি কেবল শুরু। তবে এর শেষটা কীসে? সেটি এখনও নিশ্চিতভাবে বলা না গেলেও শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগই যে এই কদিনের ঘটনাপ্রবাহের পরিণতি নয়, একটা ধাপ মাত্র সেটি বুঝতে বাকি নেই কারও। এরইমধ্যে কলকাতায় আন্দোলনে নামা শিক্ষার্থীদের ওপর গুন্ডাদমন আইন প্রয়োগের কথা জানিয়েছেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। আন্দোলনকারীদের তিন পুরুষ পর্যন্ত শিক্ষা দেওয়ার অঙ্গীকার করেছেন তিনি। গত কয়েকদিনের ঘটনাপ্রবাহ থেকে শিক্ষা নিলে তার এই সিদ্ধান্ত যে আত্মঘাতী হতেই পারে সে সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।

এএমএ