দোহারে ঢাকা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২-এর আওতাধীন দোহার জোনাল অফিসের বিরুদ্ধে ভূতুড়ে ও অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল তৈরির অভিযোগে ফুঁসে উঠেছে স্থানীয় সাধারণ মানুষ। স্বাভাবিক বিদ্যুৎ ব্যবহার করা সত্ত্বেও কয়েকগুণ বেশি বিল আসায় চরম ক্ষোভ প্রকাশ করে রোববার দোহার পল্লী বিদ্যুৎ অফিস প্রাঙ্গণে জড়ো হয়ে তীব্র বিক্ষোভ প্রদর্শন করেছেন ভুক্তভোগী গ্রাহকরা। গ্রাহকদের অভিযোগ, দোহার জোনাল অফিসের আওতাধীন প্রায় ৬৫ হাজার গ্রাহক এখন এই ভূতুড়ে বিলের যন্ত্রণায় অতিষ্ঠ। মাঠপর্যায়ে এসে প্রকৃত মিটার রিডিং সংগ্রহ না করেই অফিসের টেবিলে বসে অনুমাননির্ভর ও অতিরিক্ত বিল তৈরি করায় এই চরম ভোগান্তির সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, গ্রাহকসেবার মান উন্নত করার পরিবর্তে অফিসের কিছু কর্মকর্তা নিজেদের প্রশাসনিক সাফল্য প্রদর্শন ও দ্রুত পদোন্নতি পাওয়ার লোভে রাজস্ব আদায়ের পরিসংখ্যান বাড়াতে ব্যস্ত। এই কৃত্রিম পরিসংখ্যান দেখানোর প্রতিযোগিতার খেসারত দিতে হচ্ছে সাধারণ গ্রাহকদের। বিক্ষোভকারী একাধিক গ্রাহক ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, বিদ্যুৎ বিলের এখন কোনো নির্দিষ্ট হিসাব-নিকাশ নেই। সম্পূর্ণ অফিসের ইচ্ছামতো বিল তৈরি করা হচ্ছে। গত দুই মাস ধরে এই ভোগান্তি চরমে পৌঁছেছে। যেসব গ্রাহকের মাসিক বিল সাধারণত ৭০০ থেকে ৮০০ টাকার মধ্যে থাকত, এবার তাদের কারও কারও বিল এসেছে ২ হাজার থেকে ৩ হাজার টাকা। ভুক্তভোগী গ্রাহকদের ভাষ্য, অতিরিক্ত বিলের বিষয়ে প্রতিকার ও সংশোধন চাইতে দোহার জোনাল অফিসে গেলেও কোনো সুনির্দিষ্ট বা কাঙ্ক্ষিত সমাধান মিলছে না। গ্রাহকরা অবিলম্বে এই ভূতুড়ে বিল প্রথা বন্ধ করা, প্রকৃত মিটার রিডিং অনুযায়ী বিল প্রস্তুত করা এবং গ্রাহক হয়রানি বন্ধের জোর দাবি জানান। এ বিষয়ে ঢাকা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২ দোহার শাখার ডিজিএম মো. বাদল মিয়া বলেন, আপাতদৃষ্টিতে মনে হচ্ছে, গরম বেশি হওয়ার কারণে গ্রাহকরা বিদ্যুৎ খরচ বেশি করেছেন এ কারণে হয়তো বিল বেশি আসছে এবং অতিরিক্ত লোডসেডিংয়ের কারণে বিদ্যুৎ বিল বেশি হওয়ার কারণ হতে পারে।








