বগুড়ার আদমদীঘি উপজেলায় এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে রেলওয়ের জায়গা দখল করে দোকান নির্মাণ ও বসবাসের অভিযোগ উঠেছে। অবৈধ এ স্থাপনা উচ্ছেদের দাবিতে গত মঙ্গলবার পাকশী বিভাগীয় ভূ-সম্পত্তি কর্মকর্তা বরাবর শতাধিক স্বাক্ষর সংবলিত একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন এলাকাবাসী।
অভিযোগ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সান্তাহার জংশন স্টেশনের আওতাধীন হেলালিয়া হাট সংলগ্ন জায়গা অবৈধভাবে দখল করেছেন ওই এলাকার বেলাল প্রামাণিক। গত ৬-৭ মাস আগে সেখানে তিনি একটি দোকান ঘর নির্মাণ করে ক্যারম খেলার ব্যবস্থা করেছেন তিনি। দোকানে সব সময় বখাটেরা আড্ডা দিয়ে থাকে। স্কুল কলেজে যাতায়াতের সময় তারা শিক্ষার্থীদের বিরক্ত করে। গ্রামবাসী বিভিন্ন ভাবে নিষেধ করার পরও কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছেন বেলাল প্রামাণিক।
দোকানটির পাশে অবস্থিত ছাতনী উচ্চ বিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেণির এক শিক্ষার্থী বলে, ‘বেলাল প্রামাণিকের দোকানে থাকা বখাটেরা আমাদের বিরক্ত করে।’ একই বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির এক শিক্ষার্থী বলে, ‘ওই দোকানে বখাটেদের আড্ডা হয়। স্কুলে যাওয়া আসার সময় ইভটিজিংয়ের শিকার হই আমরা।’
ছাতনী সরদার পাড়া গ্রামের বাসিন্দা দুলাল উদ্দিন, একরামুল হক ও মিলন হোসেন বলেন, ‘অবৈধ দখলদার বেলাল প্রামাণিকের খুঁটির জোর কোথায়? পুলিশ প্রশাসন ও এলাকাবাসী কাউকে তোয়াক্কা না করে দিব্যি ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছেন।’ বেলালের ওই দোকান দ্রুত উচ্ছেদের দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।
ছাতনী উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আব্দুল মজিদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করে পাওয়া যায়নি।
সান্তাহার রেলওয়ে নিরাপত্তার গোয়েন্দা শাখার কর্মকর্তা খায়রুল আলম বলেন, ‘অভিযোগ পেয়ে বেলাল প্রামাণিককে নিষেধ করেছি। কিন্তু তিনি কথা না শুনে ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছেন। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের জানানো হয়েছে।’
এ বিষয়ে পাকশী বিভাগীয় ভূ-সম্পত্তি কর্মকর্তা শফিকুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’








