নতুন অর্থবছর শুরু হলো আজ বুধবার। নতুন বাজেটের আলোকেই চলবে সরকারের আয়–ব্যয়ের সব হিসাব। বাজেটে সরকার নাগরিক তথা করদাতাদের জন্য কিছু সুবিধা দেয়, আবার নতুন করে শুল্ক–কর আরোপ করে।

প্রতিবারই জুন মাসের প্রথমার্ধে বাজেট ঘোষণার পর করদাতাসহ সাধারণ নাগরিকেরা চিন্তা করেন, এই বাজেট তাঁর খরচ কতটা বাড়াবে, কতটা কমাবে। কোন কোন জিনিসের দাম বাড়বে, কোনটির কমবে। জীবন কতটা সহজ হবে, কতটা জটিল হবে—এসবের হিসাব–নিকাশে বসে যান অনেকে।

জুনের শেষ সপ্তাহে বাজেট পাসের আগে কিছু প্রস্তাব সংশোধন করা হয়। কিছু প্রস্তাব প্রত্যাহার করা হয়। যেমন এবার ব্যাংক হিসাব খুলতে কর শনাক্তকরণ নম্বর (টিআইএন) বাধ্যতামূলক করার প্রস্তাবটি শেষ পর্যন্ত প্রত্যাহার করা হয়।

এবার দেখা যাক, ২০২৬–২৭ অর্থবছরের বাজেট পাস হওয়ার পর আপনার জন্য বাজেট কী কী আছে। সীমিত ও মধ্যবিত্তের খরচ বাড়বে নাকি কমবে। সাধারণ করদাতারা কতটা স্বস্তিতে থাকবেন।

৪ লাখ টাকা পর্যন্ত করমুক্ত

প্রতিবছর বাজেটের সময় সাধারণ করদাতাদের অন্যতম আগ্রহের বিষয় করমুক্ত আয়সীমা বাড়ল কি না। এবার সেই সুখবর পেলেন করদাতারা। বার্ষিক করমুক্ত আয়সীমা সাড়ে তিন লাখ টাকা থেকে বাড়িয়ে পৌনে চার লাখ টাকা করার প্রস্তাব করেছিলেন অর্থমন্ত্রী। পরে প্রধানমন্ত্রীর অনুরোধে গত সোমবার অর্থবিল পাসের সময় তা বাড়িয়ে চার লাখ টাকা করা হয়।

প্রভাব

করমুক্ত আয়সীমা বৃদ্ধির ফলে এ বছর কিছুটা স্বস্তি পাবেন করদাতারা। উচ্চ মূল্যস্ফীতির কারণে এমনিতেই সংসার খরচ বেড়েছে। কিন্তু করমুক্ত আয়সীমা বাড়ানোয় করের চাপ কিছুটা কমবে। করের পরিমাণ কমবে। ২০২৫ সালের জুলাই থেকে ২০২৬ সালের জুন মাস পর্যন্ত আপনার আয় চার লাখ টাকার কম হলে কোনো কর দিতে হবে না।

তবে মনে রাখবেন, এ বছর করমুক্ত আয়সীমার পরের প্রথম এক লাখ টাকার ওপর যে ৫ শতাংশ কর বসত, তা বাদ যাবে। এই স্তরের করহার তুলে দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে ন্যূনতম কর পাঁচ হাজার টাকা বহাল আছে।

সারা বছর রিটার্ন দেওয়া যাবে, দিতে হবে অনলাইনে

এখন থেকে সারা বছর রিটার্ন দেওয়া যাবে। অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) রিটার্ন দিলে পরিশোধযোগ্য করের ৫ শতাংশ বা ২৫ হাজার টাকা, যা কম তাই ছাড় পাবেন। দ্বিতীয় প্রান্তিকে (অক্টোবর-ডিসেম্বর) রিটার্ন যা কর, তাই দিলেই হবে। কোনো প্রণোদনা পাওয়া যাবে না।

আর জানুয়ারি-মার্চ প্রান্তিকে রিটার্ন দিলে পরিশোধযোগ্য করের ২ শতাংশ বা ৩ হাজার টাকা, যেটি বেশি সেই পরিমাণ টাকা দিতে হবে। এপ্রিল-জুন মাসে রিটার্ন দিলে পরিশোধযোগ্য করের ৫ শতাংশ বা ৫ হাজার টাকা, যেটি বেশি সেই পরিমাণ টাকা দিতে হবে।

পাঁচ শ্রেণির করদাতা ছাড়া গতবারের মতো এবারও সব করদাতাকে অনলাইনে আয়কর রিটার্ন দিতে হবে।

প্রভাব

সময় শেষ হওয়ার আগে রিটার্ন জমার তাড়াহুড়া থাকবে না। বছরের যেকোনো সময় রিটার্ন দিতে পারবেন। যেহেতু অনলাইনে রিটার্ন দেবেন, তাই স্বয়ংক্রিয়ভাবে করছাড়ের হিসাব হবে, আবার জরিমানার হিসাবও হবে। এতে করদাতার কিছু করার থাকবে না। অনলাইনে রিটার্ন দেওয়ার ফলে হয়রানি কমবে।

সঞ্চয়পত্রের অগ্রিম করে যত সুবিধা ও অসুবিধা

আয়কর আইনে সঞ্চয়পত্রের মুনাফার টাকার ওপর ১০ শতাংশ অগ্রিম কর কেটে রাখার বিধান আছে। এবারের বাজেটে বলা হয়েছে, সঞ্চয়ত্রের মুনাফায় যে উৎসে কর কেটে রাখা হয়, তা চূড়ান্ত কর দায় নয়। বছর শেষে তা সমন্বয় করা যাবে। যদি ওই করদাতার প্রযোজ্য করের চেয়ে বেশি কর কেটে রাখা হয়, তাহলে তা ফেরত পাওয়া যাবে।

প্রভাব

বর্তমান নিয়ম অনুসারে, ১০ লাখ টাকার বেশি সঞ্চয়পত্র কিনলে কর শনাক্তকরণ নম্বর (টিআইএন) লাগে। তাই ছোট ছোট সঞ্চয়পত্র বিনিয়োগকারী কিন্তু তাঁদের করযোগ্য আয় নেই, এমন ব্যক্তিদের এখন টিআইএন নিয়ে বছর শেষে রিটার্ন দিয়ে সঞ্চয়পত্রের কেটে রাখা অগ্রিম করের টাকা ফেরত নিতে হবে।

রিটার্ন জমার সময় ব্যাংক হিসাব নম্বর জানিয়ে টাকা ফেরতের দাবি করতে হবে। কর কর্মকর্তারা যাচাই–বাছাই করে ১২০ দিনের মধ্যে ব্যাংক হিসাবে প্রাপ্য টাকা ফেরত দেবেন।

কিন্তু এ দেশে মধ্যবিত্ত পরিবারের অনেক সদস্য টিআইএন ছাড়াই সঞ্চয়পত্রে বিনিয়োগ করেন। করযোগ্য আয় নেই, এমন বিবেচনায় তাঁরা টিআইএন ছাড়াই সঞ্চয়পত্র কেনেন। তাঁদের এখন অগ্রিম করের টাকা ফেরত পেতে টিআইএন নিয়ে আয়কর রিটার্ন দিতে হবে।

সুবিধা হলো এত দিন সঞ্চয়পত্রের মুনাফায় অগ্রিম কর চূড়ান্ত কর দায় হিসেবে কেটে রাখা হয়েছে। করযোগ্য আয় না থাকা সত্ত্বেও আয়কর রিটার্ন দিয়েও ওই টাকা ফেরত পাননি। এমন করদাতারা আগামী বছর থেকে অগ্রিম করের টাকা ফেরত পাবেন।

অন্যদিকে মুনাফার ওপর অগ্রিম কর হিসেবে ৫ শতাংশ নাকি ১০ শতাংশ কাটা হবে, সেটাও স্পষ্ট নয়। কারণ, ২০১৯ সাল থেকে পেনশনার সঞ্চয়পত্র ছাড়া পরিবার সঞ্চয়পত্রসহ বাকি তিনটি সঞ্চয়পত্রের (৫ লাখ টাকা পর্যন্ত) মুনাফার ওপর ৫ শতাংশ হারে কর কেটে রাখে।

বিনিয়োগে কর–সুবিধা কমল

এবারের বাজেটে বিনিয়োগজনিত কর রেয়াত–সুবিধা কমানো হয়েছে। যেমন আপনি যত বিনিয়োগ করবেন, এর ১০ শতাংশ কর রেয়াতের জন্য হিসাব করা হবে। আবার আপনার সর্বোচ্চ কর রেয়াতের পরিমাণ হবে সাড়ে ৭ লাখ টাকা। আগে ছিল ১০ লাখ টাকা।

এত দিন বিনিয়োগজনিত কর রেয়াত নেওয়ার নিয়ম ছিল করযোগ্য আয়ের ৩ শতাংশ, মোট বিনিয়োগের ১৫ শতাংশ কিংবা সর্বোচ্চ ১০ লাখ টাকা—এই তিনটির মধ্যে যেটি কম হবে, তা–ই রেয়াতের পরিমাণ। এবারের বাজেটে তা করা হয়েছে, মোট করেযাগ্য আয়ের ৩ শতাংশ, মোট বিনিয়োগের ১০ শতাংশ কিংবা সর্বোচ্চ সাড়ে ৭ লাখ টাকা—এই তিনটির মধ্যে যেটি কম হবে, তা–ই রেয়াতের পরিমাণ।

প্রভাব

বড় করদাতারা বিনিয়োগের বিপরীতে আগের মতো কর রেয়াত পাবেন না। হিসাব করে দেখা গেছে, কোনো করদাতার যদি বছরে ৩ কোটি টাকা করযোগ্য আয় থাকে এবং তিনি ১ কোটি টাকা বিনিয়োগ করেন, তাহলে নতুন নিয়মে বিনিয়োগজনিত কর রেয়াত আগের তুলনায় প্রায় আড়াই লাখ টাকা কমে যাবে। আগের হিসাবে তিনি ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত কর রেয়াত–সুবিধা পেতেন। এখন পাবেন সাড়ে ৭ লাখ টাকা।

* বার্ষিক আয় ৪ লাখ টাকা পর্যন্ত করমুক্ত থাকবে।* সারা বছর রিটার্ন দেওয়া যাবে, রিটার্ন দিতে হবে অনলাইনে।* সঞ্চয়পত্রের মুনাফায় কেটে রাখা অগ্রিম কর ফেরত পেতে আয়কর রিটার্ন জমা দিতে হবে।* ব্যাংক হিসাবে ৪ লাখ টাকা পর্যন্ত আবগারি শুল্ক নেই।* ব্যাংক হিসাব খুলতে টিআইএন বাধ্যতামূলক করার প্রস্তাবটি প্রত্যাহার করা হয়।

৪ লাখ টাকা পর্যন্ত আবগারি শুল্ক মাফ

বর্তমানে আপনার ব্যাংক হিসাবে যদি ৩ লাখ টাকা থাকে, তাহলে বছরে একবার আবগারি শুল্ক দিতে হয়। এবার এই সীমা বাড়িয়ে ৪ লাখ টাকা হয়েছে। ব্যাংক হিসাবে আমানতের স্থিতি নির্দিষ্ট সীমা অতিক্রম করলে বছরে একবারই আবগারি শুল্ক দিতে হবে। এ ছাড়া একটি ঋণ হিসাবের বিপরীতে শুধু একবারই আবগারি শুল্ক কাটা হবে।

প্রভাব

ক্ষুদ্র আমানতকারীরা স্বস্তি পাবেন। আপনার ব্যাংক হিসাবে যদি ২০২৬ সালে কোনো একবার চার লাখ বা এর বেশি টাকা থাকে, তাহলে আবগারি শুল্ক কাটা হবে। এই আবগারি শুল্ক বছরে একবার হয় হিসাবের স্থিতির ওপর। সাধারণত ব্যাংকগুলো ডিসেম্বর মাসে গ্রাহকের হিসাব থেকে এই টাকা কেটে রাখে।

কিডনি রোগীর খরচ কমবে, ক্যানসার রোগীর ভাতা বাড়ল

এবারের বাজেটে চিকিৎসাসেবায় নানা ধরনের ছাড় দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে ওষুধের দাম নাগালের মধ্যে রাখতে ওষুধের কাঁচামালের ওপর শুল্ক ও করে ছাড় দেওয়া হয়েছে। প্রথমেই আসি ভাতা প্রসঙ্গে। ক্যানসারসহ ৬টি দুরারোগ্য রোগের চিকিৎসায় ভাতা বাড়ানো হয়েছে। আগে একজন ভাতাভোগী এসব রোগের চিকিৎসার জন্য এককালীন ৫০ হাজার টাকা পেতেন। এখন তা বাড়িয়ে ১ লাখ টাকা করা হয়েছে।

হৃদ্‌রোগের চিকিৎসা খরচ কমবে। যেমন হার্টের রিংয়ের জোগানদার পর্যায়ে ১০ শতাংশ প্রত্যাহার করা হয়েছে। এতে প্রতিটি রিংয়ে ২০ হাজার টাকা পর্যন্ত খরচ কমতে পারে।

কিডনির সমস্যা নিয়ে অনেকেই ভোগেন। এ জন্য কিডনি সমস্যাজনিত রোগীদের ডায়ালাইসিস ফিল্টার আমদানিতে ১৫ শতাংশ ভ্যাট ও ৫ শতাংশ অগ্রিম কর তুলে দেওয়া হয়েছে। এতে ফিল্টারের দাম কমবে। এতে ডায়ালাইসিস বাবদ প্রত্যেক রোগীর খরচ ৮০০ টাকা পর্যন্ত কমতে পারে।

এ ছাড়া কিডনি রোগীদের জন্য ব্যবহৃত হেমোডায়ালাইসিসের ব্লাড টিউবিং সেট আমদানিতে সাড়ে ৭ শতাংশ ভ্যাটের আগাম কর প্রত্যাহার করা হয়েছে। এতে এই সেবা নিতে খরচ কমবে। শারীরিকভাবে বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ব্যক্তির ব্যবহারের জন্য আমদানি করতে হয় এমন ১৫টি পণ্যের অগ্রিম আয় ২ শতাংশ থেকে ১ শতাংশ করা করা হয়েছে।

মেডিক্যাল ও ডেন্টাল শিক্ষায় আরও অন্তর্ভুক্তিমূলক ও সহজলভ্য করতে ছাত্রছাত্রীদের জন্য শিক্ষাঋণ ও ব্যাংকঋণ–সুবিধা চালুর ঘোষণা দিয়েছেন অর্থমন্ত্রী। এর ফলে ব্যয়বহুল এই পড়াশোনায় আগ্রহী মেধাবীদের অর্থায়ন সহজ হবে। এতে অর্থনৈতিক সীমাবদ্ধতা কোনো মেধাবী শিক্ষার্থীর অগ্রযাত্রায় বাধা হতে পারবে না।

এ ছাড়া প্রত্যেক নাগরিককে হেলথ কার্ড দেওয়া হবে। এই কার্ডের মাধ্যমে রোগীর পূর্ববর্তী চিকিৎসা ইতিহাস, পরীক্ষা–নিরীক্ষা, ওষুধ ও চিকিৎসাসংক্রান্ত তথ্য তাৎক্ষণিকভাবে পর্যালোচনা করা সম্ভব হবে।

রিটার্ন ছাড়া যা করা যাবে না

আয়কর রিটার্ন জমার প্রমাণপত্র ছাড়া ৩৯ ধরনের সেবা মেলে না। এবারের বাজেটে এই তালিকা আরও বড় হলো। যেমন এখন থেকে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হতে বার্ষিক আয়কর রিটার্ন দেওয়ার প্রমাণপত্র (পিএসআর) দেখাতে হবে। রিটার্ন জমার প্রমাণপত্র দেখানো ছাড়া নির্বাচনে প্রার্থী হওয়া যাবে না।

এত দিন শুধু পৌরসভা, উপজেলা, জেলা পরিষদ, সিটি করপোরেশন বা জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে রিটার্ন জমার প্রমাণপত্র দেখাতে হয়।

এখন থেকে শুধু নিবাসী করদাতা কোম্পানির পরিচালক বা স্পনসর শেয়ারহোল্ডার হতে হলে রিটার্ন জমার প্রমাণপত্র দেখাতে হবে। অনিবাসী পরিচালক ও স্পনসর শেয়ারহোল্ডারদের তা লাগবে না।

এবারের বাজেটে সিটি করপোরেশন, পৌরসভা ও ক্যান্টনমেন্ট বোর্ড এলাকায় জমি–ফ্ল্যাট বণ্টন ও নামজারিতে রিটার্ন জমার প্রমাণপত্র লাগবে, এমন প্রস্তাব করা হয়েছিল। অর্থবিল পাসের সময় এই প্রস্তাব প্রত্যাহার করা হয়েছে।

সব মিলিয়ে ৪১ ধরনের সরকারি ও বেসরকারি সেবা পেতে বার্ষিক আয়কর বিবরণী বা রিটার্ন জমা দিতে হবে। পাশাপাশি রিটার্ন জমার প্রমাণপত্র দেখিয়ে এসব সেবা নিতে হবে। এই সেবাগুলো মধ্যে অন্যতম হলো ২০ লাখ টাকার বেশি ঋণ গ্রহণে, সিটি করপোরেশন বা পৌরসভা এলাকায় ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন করতে, চিকিৎসক, দন্তচিকিৎসক, আইনজীবী, চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট, কস্ট অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট অ্যাকাউন্ট্যান্ট, চার্টার্ড সেক্রেটারি, আইনজীবী ও কর আইনজীবী, একচুয়ারি, প্রকৌশলী, স্থপতি, সার্ভেয়ার হিসেবে কোনো স্বীকৃত পেশাজীবী সংস্থার সদস্যপদ নবায়ন করতে, যেকোনো এলাকায় গ্যাসের বাণিজ্যিক ও শিল্প সংযোগপ্রাপ্তি ও বহাল রাখতে: সিটি করপোরেশন এলাকায় আবাসিক গ্যাস–সংযোগ প্রাপ্তিতে, সিটি করপোরেশন বা ক্যান্টনমেন্ট বোর্ড এলাকায় বিদ্যুৎ–সংযোগপ্রাপ্তিতে: ১০ লাখের অধিক টাকার সঞ্চয়পত্র কেনায়, হোটেল, রেস্টুরেন্ট, মোটেল, কমিউনিটি সেন্টার, কনভেনশন হল, হাসপাতাল, ক্লিনিক, ডায়াগনস্টিক সেন্টারগুলোর লাইসেন্স গ্রহণ ও নবায়নে: সামাজিক অনুষ্ঠান, করপোরেট প্রোগ্রাম, ওয়ার্কশপ, সেমিনার, সিম্পোজিয়াম, প্রশিক্ষণসহ সমজাতীয় যেকোনো অনুষ্ঠান আয়োজনের জন্য সিটি করপোরেশন এলাকায় অবস্থিত কমিউনিটি সেন্টার, কনভেনশন হল বা সমজাতীয় কোনো প্রতিষ্ঠান হতে ভাড়া বা অন্য যেকোনো সেবা গ্রহণকালে।