টানা ভারি বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে বাঁশখালী পৌরসভার মরিয়ম খাতুন (৪৫) গত ৪ দিনেও সরকারি-বেসরকারি কোনো ত্রাণ সহায়তা পাননি। বর্তমানে তিনি চার সন্তান ও স্বামীসহ আশ্রয়কেন্দ্রে রয়েছেন। তিনি আক্ষেপ করে জানান, তার বসতবাড়ি,
বাড়িতে থাকা চাল, ডাল, তেল ইত্যাদি পানিতে ভেসে যাওয়ায় তিনি বিশুদ্ধ পানি ও শুকনো খাবারের অভাবে আছেন। এখন পর্যন্ত সরকারি-বেসরকারি কোনো ধরনের ত্রাণ বা সহায়তা পাননি তারা। তার
মাটির তৈরি বসতবাড়ি ঢলে বিলীন হয়ে গেছে। মরিয়ম খাতুন পৌরসভার ৭নং ওয়ার্ডের দিনমজুর ইব্রাহিম খলিলের স্ত্রী।
তিনি জানান, পানিবন্দি আমার মতো অনেক পরিবার এখন পর্যন্ত কোনো সহযোগিতা পায়নি। তিনি সরকার এবং বিত্তশালীদের কাছে অনুরোধ করেন, যেন দ্রুত তারা বাঁশখালীর পানিবন্দি সব নিঃস্ব পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর জন্য এগিয়ে আসেন। তিনি আরও জানান, বর্তমানে বন্যার পানিতে বাড়িঘর ভেসে গিয়ে আমরা নিঃস্ব হয়ে গেছি। এখন প্রয়োজনীয় শুকনো খাবার ও বিশুদ্ধ পানি কেনার সামর্থ্যও আমাদের নেই।
এ বিষয়ে ইউএনও রুহুল আমিনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, আমরা সরকারিভাবে চেষ্টা করছি বাঁশখালীর সব পানিবন্দি পরিবারের কাছে শুকনো খাবার ও পানি পৌঁছানোর কাজ চলমান রাখতে। যদি কোনো পরিবার শুকনো খাবার ও বিশুদ্ধ পানি পেয়ে না থাকে খবর দিলে দ্রুত তাদের ত্রাণ সহযোগিতা পাওয়ার ব্যবস্থা করা হচ্ছে।







