পাঁচ বন্ধুর সঙ্গে সিলেটে ঘুরতে গিয়ে লাশ হয়ে বাড়ি ফিরলেন কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচর উপজেলার সাবেক ছাত্রদল সহ-সভাপতি ও ঠিকাদার সাইফুল ইসলাম (৫৫)। একই দুর্ঘটনায় কুলিয়ারচর উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ফারুকুল ইসলাম ফারুক গুরুতর আহত হয়ে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
শুক্রবার (৭ আগস্ট) সকালে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের ওসমানীনগর এলাকায় দুটি বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় আরও সাতজন নিহত হয়েছেন।
পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) রাতে কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচর থেকে পাঁচ বন্ধু মিলে সিলেটের বিভিন্ন পর্যটন এলাকা ভ্রমণের জন্য যান। সেখানে তিন দিন অবস্থান করে পাঁচ বন্ধু একসঙ্গে রাতাগুল, জাফলংসহ বিভিন্ন পর্যটন স্থান ভ্রমণ করেন। সেসব মুহূর্তগুলো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশও করেন তারা।
আরও পড়ুন
সিলেটে দুই বাসের সংঘর্ষ: নিহত বেড়ে ৯
ভ্রমণ শেষে শুক্রবার সকালের দিকে পাঁচ বন্ধুর মধ্যে তিনজন সাইফুল ইসলাম, ফারুকুল ইসলাম ও আব্দুল লতিফ ভৈরবের উদ্দেশে ঢাকাগামী ইউনিক পরিবহনের বাসে ওঠেন। পথে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে বিপরীত দিক থেকে আসা বেঙ্গল পরিবহনের একটি বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারান সাইফুল ইসলাম। এসময় আহত হন অপর দুই বন্ধু ফারুকুল ইসলাম ফারুক ও আব্দুল লতিফ।
কুলিয়ারচর উপজেলা বিএনপির প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক কামরুল ইসলাম মুছা বলেন, পাঁচ বন্ধু একসঙ্গে ঘুরতে গিয়ে একসঙ্গে ফিরতে পারেননি। তাদের মধ্যে লাশ হয়ে ফিরেছেন সাইফুল ইসলাম।
রাজীবুল হাসান/এসআর







