চীনের কাছ থেকে বহুমুখী যুদ্ধবিমান জে-১০সিই কেনার বিষয়ে বাংলাদেশের সম্ভাব্য আলোচনা এবং বেইজিংয়ের প্রস্তাবিত চীন-মিয়ানমার-বাংলাদেশ অর্থনৈতিক করিডরের খবরে নজর রাখছে ভারত। শুক্রবার নয়াদিল্লিতে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল এ তথ্য জানান।
বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সাম্প্রতিক চীন সফর নিয়ে একাধিক প্রশ্নের জবাবে জয়সওয়াল বলেন, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর চীন সফর ও দুই দেশের সম্পর্কের গতিপথের ওপর নজর রেখেছে নয়াদিল্লি।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র বলেন, প্রতিবেশী দেশগুলোর যে কোনো ধরনের ঘটনাপ্রবাহ ভারত নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করে এবং ঠিক সময়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়। গত মাসের শেষ দিকে চীনে তিন দিনের রাষ্ট্রীয় সফর করেন তারেক রহমান। তার ওই সফরে বিভিন্ন ক্ষেত্রে দুই দেশের সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা হয়। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনায় চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং যোগাযোগ ও অর্থনীতির ব্যাপ্তি বাড়াতে বাংলাদেশ থেকে মিয়ানমার হয়ে চীন পর্যন্ত একটি অর্থনৈতিক করিডর করার প্রস্তাব আনেন।
নয়াদিল্লিতে ব্রিফিংয়ে এক সাংবাদিক প্রশ্ন করেন-ওই সফরে বাংলাদেশ প্রথমবারের মতো চীনের থেকে যুদ্ধবিমান কেনার আগ্রহ দেখিয়েছে, এ বিষয়ে ভারতের মনোভাব কী? এর জবাবে জয়সওয়াল বলেন, এসব ক্ষেত্রে যা কিছু আলোচনা হয়, সবই ভারত নিরীক্ষণ করে। যখন যেমন পদক্ষেপের প্রয়োজন হয়, তা নেওয়া হয়। তবে চীন থেকে সম্ভাব্য যুদ্ধবিমান কেনা নিয়ে সংবাদমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হলেও চীন বা বাংলাদেশের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু বলা হয়নি।
ওই সফরে তিস্তা প্রকল্প ও মোংলা বন্দরের উন্নয়ন নিয়ে আলোচনা হয়েছে। এ বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে ভারতের মুখপাত্র বলেন, বাংলাদেশের সঙ্গে বিভিন্ন প্রকল্পের উন্নয়নে ভারতীয় সহায়তার বিষয়টি দুই দেশের মধ্যে আলোচনার ভিত্তিতে তৈরি। সেই রোডম্যাপ নিয়মিত আলোচনা হয়। এ বিষয়ে ভারতের মনোভাব আগেই ঢাকাকে জানানো হয়েছে।








