ভারতের মধ্যপ্রদেশে নতুন করে গঠিত রাজ্য ওয়াকফ বোর্ডে দুই হিন্দু সদস্যকে অন্তর্ভুক্ত করার পর তীব্র বিতর্ক শুরু হয়েছে। নতুন ওয়াকফ আইন কার্যকর হওয়ার পর এই প্রথম অমুসলিম সদস্যদের বোর্ডে স্থান দেওয়া হলো। রাজ্য সরকারের দাবি, সংশোধিত আইন অনুসারেই এই পুনর্গঠন করা হয়েছে। তবে মুসলিম সংগঠন ও বিরোধী রাজনৈতিক নেতারা এর তীব্র বিরোধিতা করেছেন। বিষয়টি নিয়ে রাজ্যের বিভিন্ন স্থানে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে এবং আদালতের দ্বারস্থ হওয়ার ঘোষণাও এসেছে।

নতুন বোর্ডের চেয়ারম্যান হিসাবে আবারও দায়িত্ব পেয়েছেন ডক্টর সানওয়ার প্যাটেল।

দশ সদস্যের এই বোর্ডে রয়েছেন নাজমা হেপতুল্লাহ, আতিফ আকিল, ফয়জান খান, ফাতেমা চৌধুরী, সাইস্তা সুলতান, শাবানা খানসহ আরও কয়েকজন। পাশাপাশি প্রথমবারের মতো অমুসলিম সদস্য হিসাবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে ইন্দোরের মনোজ মালপানি এবং গুনা জেলার রাঘোগড় এলাকার অনিমেষ ভার্গবকে। এই নিয়োগের পরই রাজ্যের মুসলিম সংগঠনগুলো তীব্র আপত্তি জানায়। তাদের বক্তব্য, ওয়াকফ একটি ইসলামি ধর্মীয় সম্পদ ব্যবস্থাপনার প্রতিষ্ঠান। তাই সেখানে অমুসলিম সদস্য নিয়োগ ধর্মীয় রীতির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।

বিভিন্ন সংগঠন জানিয়েছে, তারা বিষয়টি নিয়ে বৃহত্তর আন্দোলনের কর্মসূচি বিবেচনা করছে। বিরোধী দল কংগ্রেসও সরকারের এই সিদ্ধান্তের সমালোচনা করেছে।