বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদির বলেছেন, ভারত-বাংলাদেশ বাণিজ্যের ক্ষেত্রে ভারসাম্যহীনতা দূর করার জন্য আমদানিনির্ভরতা হ্রাস এবং রপ্তানি বৃদ্ধির জন্য সরকার নয়াদিল্লির সঙ্গে সমন্বিত অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব চুক্তি (সিইপিএ) শুরুর উদ্যোগ নিয়েছে। বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে রংপুর-৩ আসনের জামায়াতের এমপি মাহবুবুর রহমান বেলালের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে ভারত-বাংলাদেশের ১১ হাজার ৩৮৮ দশমিক ৩৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য হয়েছে। এর মধ্যে বাংলাদেশ রপ্তানি করেছে ১ হাজার ৭৬৪ দশমিক ২৩ মিলিয়ন ডলার। ভারত-বাংলাদেশ বাণিজ্যে ভারসাম্যহীনতা দূর করার লক্ষ্যে আমদানিনির্ভরতা হ্রাসকরণে সরকার দেশীয় শিল্পের বিকাশ, আমদানি বিকল্প পণ্যের উৎপাদন বৃদ্ধি, স্থানীয়ভাবে উৎপাদনযোগ্য পণ্যের আমদানি নিরুৎসাহিতকরণ এবং প্রয়োজনীয় কাঁচামাল ও মূলধনী যন্ত্রপাতির আমদানিকে উৎসাহিত করার নীতি অনুসরণ করা হচ্ছে। এজন্য দেশীয় শিল্পের প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বৃদ্ধি, বৈদেশিক মুদ্রার সুষ্ঠু ব্যবহার এবং প্রয়োজনীয় পণ্যের আমদানি ব্যবস্থাপনাকে অধিকতর সহজ, স্বচ্ছ ও যুগোপযোগী করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।

সেলিনা সুলতানার প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে বিশ্বের ২০২ গন্তব্যে ৮১২টি পণ্য রপ্তানি হয়। এর মধ্যে ওভেন পোশাক, নিটওয়্যার, হোম টেক্সটাইল, হিমায়িত ও জীবন্ত মাছ, কৃষিজাত পণ্য, পাট ও পাটজাত দ্রব্য, চামড়া-চামড়াজাত পণ্য ও পাদুকা এবং প্রকৌশল দ্রব্যাদি রপ্তানি করে ৪৪ হাজার ১৬৭ দশমিক ৮৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার আয় হয়। যা মোট রপ্তানি আয়ের ৯১ দশমিক ৪৮ শতাংশ।