ভোলা-চরফ্যাশন সড়কের বীরশ্রেষ্ঠ বাসস্ট্যান্ড এলাকায় প্রতিদিন লাঠিয়াল বাহিনীর তোপের মুখে পড়তে হচ্ছে সিএনজি অটোরিকশা চালকদের। হামলা ও মারধরের শিকার হতে হচ্ছে। নাজেহাল হন সাধারণ যাত্রীরা। কখনো চাঁদা দিয়ে ছাড় পান নিরীহ চালকরা। সিএনজি অটো চালকদের অভিযোগ-বাস মালিক ও শ্রমিকদের নিয়োগ করা ওই লাঠিয়াল বাহিনীর তোপের মুখে সিএনজি অটো রিকশা চলাচল করতে পারছে না। মঙ্গলবার দুপুরে ওই লাঠিয়াল বাহিনীর হামলা থেকে রক্ষার দাবিতে বাংলাদেশ পরিবহণ শ্রমিক ফেডারেশন ভোলা শাখার আয়োজনে ১০ দফা দাবিতে প্রেস ক্লাবের সামনে বৃষ্টি উপেক্ষা করে সহস্রাধিক সিএনজি অটো চালক ও মালিকরা মানববন্ধন ও বিক্ষোভ করেছেন। পরে জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারের কাছে স্মারকলিপি দেন। এরা অভিযোগ করেন, ভোলা বাস মালিক ও শ্রমিক সমিতির ব্যানারে লাঠিয়াল বাহিনী বাসস্ট্যান্ড এলাকার সামনে ভোলা চরফ্যাশন সড়কে সকাল থেকে রাত পর্যন্ত প্রকাশ্যে লাঠি নিয়ে অবস্থান করছে। সিএনজি অটো চলাচলে বাধা দিচ্ছে। যাত্রীদের নামিয়ে দেওয়া হচ্ছে। নতুন করে ওই লাঠিয়াল বাহিনীর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে ভাড়া করে আনা পোশাকধারী আনসার বাহিনী। রাষ্ট্রের আইনশৃঙ্খলা রক্ষার দায়িত্বে থাকা পোশাকধারী আনসার বাহিনীকে এই ন্যক্কারজনক কাজে নিয়োজিত করায় ওই বাহিনীর ভূমিকা নিয়ে তীব্র ক্ষোভ ও সমালোচনা করেন বক্তারা।

এ সময় বক্তব্য দেন পরিবহণ শ্রমিক ফেডারেশনের সভাপতি মো. কামাল উদ্দিন. সহসভাপতি বাহারুল ইসলাম, অটো রিকশা সংগঠনের সভাপতি মো. নজরুল ইসলাম, ইজিবাইক মালিক সমিতির সভাপতি ইকবাল হোসেন, মিশুক সংগঠনের সভাপতি মো. নুরে আলম, বেবিট্যাক্সি শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম প্রমুখ।