বিজয়নগরে সংখ্যালঘু পরিবারের পুকুরের জায়গা জোর করে দখলের অভিযোগ উঠেছে এক বিএনপি নেতা ও তার ভাইয়ের বিরুদ্ধে। পুকুরের জায়গায় জোরপূর্বক বালু ভরাটে বাধা দেওয়ায় ভুক্তভোগীদের প্রাণনাশের হুমকিও দিচ্ছেন ওই বিএনপি নেতা। এ ঘটনায় বিএনপি নেতা মোহাম্মদ আলী ও তার বড় ভাই সাবেক ইউপি সদস্য জামাল মিয়ার বিরুদ্ধে থানায় সাধারণ ডায়েরি করেছে ভুক্তভোগী সঞ্জয় কুমার রায়। জানা যায়, গত বছরের ২৬ জুন উপজেলার সাতবর্গ গ্রামে ৪৫ শতক পুকুরের জায়গা উপজেলা বিএনপির সদস্য মোহাম্মদ আলী ও তার ভাই প্রবাসী বিএনপি নেতা আমিনুল ইসলাম মুছনের কাছে বিক্রি করেন অমিত রায় ও সঞ্জয় কুমার রায়। ৩০০ টাকার স্ট্যাম্পে চার মাস মেয়াদি আনরেজিস্ট্রি একটি বায়নাপত্র চুক্তি হয়। চুক্তিতে ৪৫ শতক পুকুরের জায়গা এক কোটি ১৯ লাখ ২৫ হাজার টাকায় বিক্রি করা হয়। চুক্তি অনুযায়ী ওই জায়গার জন্য ১০ লাখ টাকা নগদ বায়না বাবদ দেওয়া হয়। অবশিষ্ট এক কোটি ৯ লাখ ২৫ হাজার টাকা চার মাসের মধ্যে পরিশোধ করে জমি রেজিস্ট্রি করার কথা ছিল। কিন্তু বাকি টাকা পরিশোধ না করেই পুকুরে বালু ভরাট শুরু করা হয়। অভিযোগের বিষয়ে বিএনপি নেতা মোহাম্মদ আলী বলেন, ‘আমি কাউকে হুমকি বা ভয়ভীতি দেখাইনি। ৪০৬ দাগে ৮৩ শতক জায়গা নিয়ে একটি মামলা চলমান থাকায় আমরা সময়মতো রেজিস্ট্রি করতে পারিনি। মালিকপক্ষের সঙ্গে জেলা পরিষদের প্রশাসক সিরাজুল ইসলাম সিরাজের মাধ্যমে আলোচনা চলছে, কয়েক দিনের মধ্যে এটি মীমাংসা হবে বলে আশা করছি।’







