বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে দক্ষিণাঞ্চলের ৯টি নদীর পানি। এতে প্লাবিত হয়েছে চরাঞ্চলের বিস্তীর্ণ এলাকা। এছাড়া বরিশাল নগরীর কীর্তণখোলা নদীর পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করায় নগরীর কয়েকটি বিস্তীর্ণ এলাকা জোয়ারের পানিতে তলিয়ে গেছে।
শনিবার (১৮ জুলাই) সন্ধ্যায় বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বরিশাল পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-সহকারী প্রকৌশলী মো. তাজুল ইসলাম।
তিনি জানান, বর্ষা মৌসুমে বিভাগের গুরুত্বপূর্ণ বেশকটি নদীর পানি প্রবাহ পর্যবেক্ষণ করা হয়। এর মধ্যে সবশেষ শনিবার বিকেল সোয়া ৬টার রিপোর্ট অনুযায়ী দক্ষিণাঞ্চলের ৯টি নদীর পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এছাড়া আরও কয়েকটি নদীর পানি বিপৎসীমার কাছাকাছি দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এতে করে বিভাগের নিম্নাঞ্চলের অনেক এলাকা তলিয়ে গেছে।
আরও পড়ুন
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে অর্ধশত নবীন শিক্ষার্থীকে ৫ ঘণ্টা র্যাগিং
পানি উন্নয়ন বোর্ডের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, বরিশাল জেলার কীর্তনখোলা নদীর বিপৎসীমা ২.১ মিটার হলেও শনিবার বিপৎসীমার ৩ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে, ঝালকাঠির বিষখালী পয়েন্টে নদীর বিপৎসীমা ১.৪ মিটার হলেও ৬ মিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে, ভোলা জেলার দৌলতখান উপজেলার সুরমা-মেঘনা পয়েন্টে নদীর বিপৎসীমা ২.৯৫ মিটার হলেও ২৭ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে, ভোলার তজুমদ্দিন উপজেলার সুরমা-মেঘনা পয়েন্টে নদীর বিপৎসীমা ২.২ মিটার হলেও ১০২ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে, পিরোজপুর বলেশ্বর নদীর বিপৎসীমা ১.৪৯ মিটার হলেও বিপৎসীমা ২০ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে, বরগুনা জেলার বিষখালী পয়েন্টে নদীর বিপৎসীমা ১.৯৭ মিটার হলেও ৭ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে, পাথরঘাটা উপজেলার বিষখালী পয়েন্টে নদীর বিপৎসীমা ১.৮৫ মিটার হলেও ১০ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে, উমেদপুর পয়েন্টে কচা নদীর বিপৎসীমা ১.৬৫ মিটার হলেও ১৬ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
এছাড়াও পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জ উপজেলার বুড়িশ্বর/পায়রা পয়েন্টে নদী, উজিরপুর সন্ধ্যা নদীর পানি বিপৎসীমার কাছাকাছি দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এদিকে বিভিন্ন নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় ভোগান্তিতে পড়েছে সাধারণ মানুষ।
বরিশাল পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-সহকারী প্রকৌশলী মো. তাজুল ইসলাম বলেন, অমাবস্যার প্রভাবে নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। তবে বন্যার কোনো প্রভাব নেই।
শাওন খান/এনএইচআর








