রোটারি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ মানবসেবা, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, পরিবেশ সংরক্ষণ, মাতৃ ও শিশুস্বাস্থ্য, শান্তি প্রতিষ্ঠা, যুব উন্নয়ন এবং কমিউনিটি উন্নয়নে রোটারির অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছে। তারা জানিয়েছে, বিশ্বজুড়ে ১৩ লাখ রোটারিয়ান অসহায় মানুষের কল্যাণে কাজ করছেন।
নতুন রোটারি বর্ষ ২০২৬-২০২৭ উপলক্ষে জাতীয় প্রেসক্লাবে মঙ্গলবার এক সংবাদ সম্মেলনে রোটারি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের পক্ষ থেকে এ কথা জানানো হয়।
রোটারি বর্ষ উদ্বোধনী সংবাদ সম্মেলনের চেয়ারম্যান আবুল খায়ের চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ সংবাদ সম্মেলনে প্রধান বক্তা ছিলেন কান্ট্রি কো-অর্ডিনেটর ইশতিয়াক জামান। এতে বক্তব্য দেন ডেপুটি কো-অর্ডিনেটর শামসুল হুদা, কো–অর্ডিনেটর মাহমুদুল হাসান, হোস্ট ক্লাবের সভাপতি হুমায়ুন কবির ও রোটারিয়ান লুবনা আফরোজ।
ইশতিয়াক জামান বলেন, রোটারি একটি অরাজনৈতিক, স্বেচ্ছাসেবী ও মানবিক আন্তর্জাতিক সংগঠন, যা বিশ্বের ২০০টির বেশি দেশ ও অঞ্চলে ১৩ লাখ রোটারিয়ানের মাধ্যমে মানুষের জীবনমান উন্নয়নে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। তিনি বলেন, বিশ্বব্যাপী অসহায়, সুবিধাবঞ্চিত, দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর কল্যাণে রোটারিয়ানরা কাজ করছেন। নতুন রোটারি বর্ষের প্রতিপাদ্য ‘স্থায়ী ইতিবাচক প্রভাব সৃষ্টি’ বাস্তবায়নের মাধ্যমে মানুষের জীবনে দীর্ঘস্থায়ী ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে রোটারিয়ানদের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।
শামসুল হুদা বলেন, সমন্বিত উদ্যোগ, দক্ষ নেতৃত্ব ও সেবার মনোভাবের মাধ্যমে নতুন রোটারি বর্ষে দেশের প্রতিটি অঞ্চলে রোটারির কার্যক্রম আরও বিস্তৃত ও শক্তিশালী করা হবে।








