বিশ্বকাপ থেকে হতাশাজনক বিদায়ের পর নিজেদের ব্যর্থতা আড়াল করার চেষ্টা করেননি জার্মান অধিনায়ক জশুয়া কিমিখ। বরং সোজাসাপ্টা স্বীকার করেছেন, পুরো টুর্নামেন্টেই জার্মানি প্রত্যাশিত মানের ফুটবল খেলতে পারেনি এবং শেষ পর্যন্ত বিদায়টা তাদের প্রাপ্যই ছিল।
শেষ ৩২-এর ম্যাচে প্যারাগুয়ের বিপক্ষে ১-১ ড্রয়ের পর টাইব্রেকারে ৪-৩ ব্যবধানে হেরে বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে যায় চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ম্যাচ শেষে কিমিখ বলেন, ‘পুরো টুর্নামেন্টে আমরা কোনো ম্যাচেই ভালো খেলতে পারিনি। আমাদের খেলায় প্রয়োজনীয় গুণগত মানের ঘাটতি ছিল। তাই এই বিদায় প্রাপ্য।’
জার্মান অধিনায়ক আরও বলেন, ব্যর্থতার দায় কোচিং স্টাফ, রেফারি কিংবা প্রতিপক্ষের ওপর চাপিয়ে দেওয়ার সুযোগ নেই। এই ব্যর্থতার পুরো দায় খেলোয়াড়দেরই। তার মতে, জার্মানি নিজেদের সামর্থ্যের ধারেকাছেও যেতে পারেনি এবং গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তগুলোতে দল হিসেবে তারা ব্যর্থ হয়েছে।
২০১৪ সালে বিশ্বকাপ জয়ের পর থেকে জার্মানির পতনের ধারাবাহিকতা আরও স্পষ্ট হলো এই আসরে। ২০১৮ ও ২০২২ বিশ্বকাপে গ্রুপপর্ব থেকেই বিদায় নেওয়ার পর এবার নকআউটে উঠলেও শেষ ৩২ থেকেই বিদায় নিতে হয়েছে। আর প্যারাগুয়ের কাছে এই হার বিশ্বকাপের ইতিহাসে জার্মানির প্রথম টাইব্রেকার পরাজয় হিসেবেও রেকর্ডে জায়গা করে নিয়েছে।
কিমিখ অবশ্য জাতীয় দল ছাড়ার কোনো ইঙ্গিত দেননি। বরং জানিয়েছেন, এই ব্যর্থতা থেকে শিক্ষা নিয়েই আবার ঘুরে দাঁড়াতে চান তিনি। তবে তার স্বীকারোক্তিই বলে দিচ্ছে, বিশ্ব ফুটবলের শীর্ষে ফিরতে হলে জার্মানির সামনে এখন বড় ধরনের আত্মসমালোচনা ও পুনর্গঠনের পথই অপেক্ষা করছে।
টিটিটি/আইএন








